চীনকে ‘ক্ষুব্ধ করে’ তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

চীনকে ‘ক্ষুব্ধ করে’ তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন

পরিবর্তন ডেস্ক ৬:০১ অপরাহ্ণ, জুলাই ০৯, ২০১৯

চীনকে ‘ক্ষুব্ধ করে’ তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন

তাইওয়ানের কাছে ২২০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট। এসব অস্ত্রের মধ্যে আব্রামস ট্যাঙ্ক ও স্টিঙ্গার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে বলে সোমবার জানায় পেন্টাগন।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, এই ঘোষণায় বেইজিংয় ক্ষুব্ধ হতে পারে, কারণ চীন তাইওয়ানকে তাদের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করে। তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির সম্ভাবনায় আগে চীন ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছিল।

বাণিজ্য যুদ্ধসহ বিভিন্ন কারনে চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এএফপির খবরে বলা হয়, সম্ভাব্য এই অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসকে অবহিত করা হয়েছে। আব্রামস ট্যাঙ্ক ও স্টিঙ্গার ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও এসবের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও সহায়তাও দেয়া হবে বলে জানায় ডিফেন্স সিকিউরিটি কোঅপারেশন এজেন্সি (ডিএসসিএ)।

তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের আগামী ৩০ দিনের মধ্যে তা জানাতে হবে, কিন্তু এমনটি হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।

‘প্রস্তাবিত ট্যাঙ্ক বিক্রয়, ক্রেতা দেশের প্রধান টাঙ্ক ফ্লিটকে আরও আধুনিক করবে। বর্তমানে ও ভবিষ্যতে তাদের আঞ্চলিক হুমকির মোকাবেলা করার সামর্থ্য ও স্বদেশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে,’ জানায় ডিএসসিএ।

অন্যদিকে, তাইওয়ানের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা শক্তি উন্নত করার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ নীতি ও জাতীয় নিরাপত্তাকে সমর্থন করবে। ওই অঞ্চলের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামরিক ভারসাম্য ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য তাইওয়ান একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি বলে মন্তব্য করে ডিএসসিএ।

তবে এসব ট্যাঙ্ক বা ক্ষেপণাস্ত্র কোনটাই ওই অঞ্চলের মৌলিক সামরিক ভারসাম্য নষ্ট করবে না বলে মনে করে সংস্থাটি।

আগে এমাসেই বেইজিং এসব অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে তাদের আপত্তির কথা জানিয়েছিল।

তখন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গেং শুয়াং বলেন, ‘তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্তটি কতটা স্পর্শকাতর ও ক্ষতিকর তা আমরা বার বার যুক্তরাষ্ট্রকে জোর দিয়ে বলেছি এবং এক চীন নীতি মেনে চলার কথা জানিয়েছি।’

তাইওয়ান ১৯৪৯ সালের গৃহযুদ্ধের পর থেকে তাইওয়ানে আলাদা শাসনতন্ত্র রয়েছে, কিন্তু চীন এটাকে তাদের এলাকা হিসেবেই বিবেচনা করে। জোর করে হলেও চীন তাইওয়ান পুনরায় তাদের দেশের অন্তর্ভুক্ত করার ইচ্ছা জানিয়েছে।

এমআর/এএসটি

 

এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও