কোরীয় সীমান্তে প্রতীকী বৈঠকে ট্রাম্প-কিম

ঢাকা, ৪ জুলাই, ২০১৯ | 2 0 1

কোরীয় সীমান্তে প্রতীকী বৈঠকে ট্রাম্প-কিম

পরিবর্তন ডেস্ক ৩:৩৯ অপরাহ্ণ, জুন ৩০, ২০১৯

কোরীয় সীমান্তে প্রতীকী বৈঠকে ট্রাম্প-কিম

দুই কোরিয়ার সীমান্তে দারুণভাবে সুরক্ষিত এলাকায় রোববার এক প্রতীকী বৈঠকে মিলিত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন।

মাত্র এক বছরের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে এই নিয়ে তিনবার সাক্ষাৎ করলেন ট্রাম্প ও কিম। তাদের শেষ বৈঠক পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার বিষয়ে কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়েছিল।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানায়, ডিমিলিটারাইজ্‌ড জোনে কিমের সঙ্গে দেখা করার পর উত্তর কোরিয়ার মাটিতে পা রাখা প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

তবে সমালোচকরা এটাকে নির্ভেজাল রাজনৈতিক নাটক বলে অভিহিত করেছেন।

১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে যে উপত্যকাটি দুই কোরিয়াকে আলাদা করে রেখেছে সেটি একটি উত্তেজনাপূর্ণ এলাকা।

ট্রাম্প টুইটারে কিমকে আমন্ত্রণ জানানোর পর তাদের মধ্যে সাম্প্রতিকতম এ সাক্ষাতের আয়োজন করা হয়। দেখা হওয়ার পর সীমান্তরেখায় দুজন হাত মেলান। এরপর ট্রাম্প অল্প সময়ের জন্য উত্তর কোরিয়ার মাটিতে অবস্থান করেন, যা দুই দেশের কূটনীতিতে একটি প্রতীকী মাইলফলক।

১৯৫৩ সালের পর থেকে বেশ কয়েকজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওই সীমান্তে সফর করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন প্রদর্শনের জন্য।

কিন্তু ট্রাম্পের সফর আগের প্রেসিডেন্টদের সফর থেকে ভিন্ন। ট্রাম্প সেখান আগের প্রেসিডেন্টদের মতো বাইনোকুলার নিয়ে বম্বার জ্যাকেট পরে যাওয়ার বদলে বিজনেস স্যুট পরে গিয়েছেন। এবং উত্তর কোরিয়ার মাটিতে পা রেখে ইতিহাস সৃষ্টি করেন।

উত্তর কোরিয়ার নেতা সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘এটা একটা বিরাট সম্মান। অনেক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে... এটা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ একটা বন্ধুত্ব। বিশ্বের জন্য এটা মহান একটা দিন।’

এর উত্তরে হাসিমুখে কিম বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি এটা আগের দুঃখজনক অতিতকে মুছে ফেলে তার (ট্রাম্পের) নতুন ভবিষ্যৎ গড়ার ইচ্ছার প্রতিফলন।’

করমর্দনের পর দক্ষিণ কোরিয়ার নেতা মুন জায়ে ইন ট্রাম্প ও কিমের সঙ্গে যোগ দেন।

বিবিসির সিউল প্রতিনিধি লরা বিকার বলেন, ‘আমিসহ অনেক মানুষ এই ছবিগুলো দেখছে। কিন্তু তাদের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছে না।’

বিকার আরো বলেন, তবে, ‘এটি একটি অসাধারণ মুহূর্ত হলেও, খেয়াল রাখা দরকার যে দুই দেশের মধ্যে কার্যকর কোনো আলোচনা হচ্ছে না। পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির খুঁটিনাটি লক্ষ্য করার কোনো মানসিকতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।’

এমআর/এইচআর

 

এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও