মার্কিন-চীন ইস্যুতে বিভক্ত এপেক নেতারা

ঢাকা, শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ | ১ পৌষ ১৪২৫

মার্কিন-চীন ইস্যুতে বিভক্ত এপেক নেতারা

পরিবর্তন ডেস্ক ৯:১৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৮, ২০১৮

মার্কিন-চীন ইস্যুতে বিভক্ত এপেক নেতারা

এ বছর এশীয় আঞ্চলিক সহযোগী সংস্থা এপেকের সম্মেলন কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ছাড়াই শেষ হয়েছে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিরোধের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন বিশ্ব নেতারা।

পাপুয়া নিউগিনির প্রধানমন্ত্রী পিটার ও’নিল বলেন, ‘কক্ষে উপস্থিত দুই পরাশক্তি ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি।’

তিনি জানান, এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন বা এপেক সম্মেলনের চেয়ারম্যানের বক্তব্য পরে প্রকাশ করা হবে।

১৯৯৩ সালে প্রথমবার এই সম্মেলন আয়োজন করার পর থেকে প্রতিবার ‘লিডারস ডিক্লারেশন’ বা নেতাদের বক্তব্য প্রকাশের মাধ্যমে সম্মেলন শেষ করা হয়। এ বছরই প্রথম এর ব্যতিক্রম ঘটল।

এ বছর বাণিজ্যযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বৃহত্তম দুই অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। চীনের ‘অন্যান্য’ বাণিজ্য কৌশলের প্রতিবাদে ট্রাম্প তাদের পণ্য আমদানির ওপর ব্যাপক শুল্ক আরোপ করেন। জবাবে মার্কিন পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক বাড়িয়ে দেয় চীন।

আঞ্চলিক এই সম্মেলনে তারা একে পরস্পরের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

সমাপনী বক্তব্যে ও’নিল বলেন, এপেক এই অঞ্চলে ২০২০ সালের মধ্যে ‘মুক্ত ও অবাধ বাণিজ্য’ নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে।

সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, পাপুয়া নিউগিনিতে নৌবাহিনীর একটি ঘাঁটি স্থাপনে অস্ট্রেলিয়াকে সহায়তা করবে তারা। প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের আধিপত্য বিস্তার ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র এই উদ্যোগে শামিল হচ্ছে।

সম্মেলনে উপস্থিত মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স বলেন, ‘এই ঘাঁটি প্যাসিফিক অঞ্চলের দ্বীপগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সাহায্য করবে।’

আগে শনিবার সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, ‘বাণিজ্যযুদ্ধে শেষ পর্যন্ত কেউ জয়ী হবে না।’

এর পরপরই পেন্স বলেন, তিনি চীনের ওপর শুল্ক দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত আছেন। চীন মহাসড়কের বিশাল নেটওয়ার্ক বেল্ট অ্যান্ড রোডেরও সমালোচনা করেন। এই উদ্যোগের আওতায় ছোট দেশগুলোকে ‘অস্বচ্ছ’ উন্নয়ন ঋণ দিয়ে ‘বিশাল ঋণের দায়ে’ জড়িয়ে ফেলছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এমআর/আইএম