আলোচনায় বসো, নয়তো পরমাণু যুদ্ধে নামো: যুক্তরাষ্ট্রকে উত্তর কোরিয়া

ঢাকা, বুধবার, ১৫ আগস্ট ২০১৮ | ৩১ শ্রাবণ ১৪২৫

আলোচনায় বসো, নয়তো পরমাণু যুদ্ধে নামো: যুক্তরাষ্ট্রকে উত্তর কোরিয়া

পরিবর্তন ডেস্ক ১:৪৬ অপরাহ্ণ, মে ২৪, ২০১৮

print
আলোচনায় বসো, নয়তো পরমাণু যুদ্ধে নামো: যুক্তরাষ্ট্রকে উত্তর কোরিয়া

উত্তর কোরিয়ার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে ‘আহাম্মকি’ বলে উড়িয়ে দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার নেতাদের মধ্যে প্রস্তাবিত বৈঠক আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন জানায়, উত্তর কোরিয়ার উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো সন হুই বৃহস্পতিবার বলেছেন পিওইয়ং আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অনুনয়’ করবে না, এবং কূটনীতিক পদক্ষেপ ব্যর্থ হলে পরমাণু মহড়া চালাবে।

চো সন-হুই গত দশকে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যেকার কয়েকটি কূটনৈতিক আদানপ্রদানের সাথে যুক্ত ছিলেন।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ-তে প্রকাশিত একটি কলামে তিনি বলেন, পেন্স সম্প্রতি মিডিয়ায় ‘লাগামহীন ও উদ্ধত মন্তব্য দিয়েছেন। ‘উত্তর কোরিয়ার পরিণতি লিবিয়ার মতো হতে পারে’ এটাও তার এমনই একটি মন্তব্য।

পেন্সকে একজন ‘রাজনৈতিক নির্বোধ’ বলে অভিহিত করে হুই বলেন, উত্তর কোরিয়া একটি পরমাণু অস্ত্রধারী দেশ। আর লিবিয়া কেবলমাত্র কয়েকটি যন্ত্র স্থাপন করে সেগুলো নিয়ে নাড়াচাড়া করছিল।

‘যুক্তরাষ্ট্রের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থাকা একজন ব্যক্তি হিসেবে, আমি যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্টের মুখ থেকে এমন আহাম্মকি বক্তব্য বের হওয়ায় বিস্মিত,’ বলেন তিনি।

তার দেশ আলোচনার জন্য ‘অনুনয় করবে না’ বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আমাদের সাথে মিটিং রুমে আলোচনায় বসবে, নাকি পরমাণু অস্ত্রকে পরমাণু অস্ত্র দিয়ে মোকাবেলা করবে তা পুরোটাই নির্ভর করবে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত ও আচরণের উপর।’

আগামী জুন ১২ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে দুই পক্ষই জানায় ওই বৈঠক আরও পরে অথবা একেবারেই বাতিল হয়ে যেতে পারে।

পিওংইয়ং জানিয়েছে তারা একতরফাভাবে সব পরমাণু অস্ত্র ধ্বংস করবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার বলেছিলেন আলোচনা করতে চাইলে উত্তর কোরিয়াকে শর্ত মানতে হবে এবং তারা সেটি করবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত তাদেরই নিতে হবে।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বল্টন উত্তর কোরিয়ার অবস্থা পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের যাচাইযোগ্য ‘লিবিয়া মডেলের’ মতো হতে পারে বলায় তার ওপরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে দেশটি।

এরপর উত্তর কোরিয়ার উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ট্রাম্প-কিম বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন।

এমআর/এএসটি

 
.


আলোচিত সংবাদ