পাটের বাম্পার ফলন, দাম বেশি, কৃষকও খুশি

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

পাটের বাম্পার ফলন, দাম বেশি, কৃষকও খুশি

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি ৮:৩২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ০১, ২০১৯

পাটের বাম্পার ফলন, দাম বেশি, কৃষকও খুশি

এ বছর সোনালি আঁশ পাট চাষ করে বাম্পার ফলন ও দাম বেশি পাওয়ায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার কৃষকেরা মহাখুশি। ফলে এ উপজেলার কৃষকেরা পাটচাষে আগ্রহী হয়ে পড়ছেন।

এ বছর তাড়াশ উপজেলায় ৩৩০ হেক্টর জমিতে সোনালী আশঁখ্যাত পাট আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। এর মধ্য দেশি  কেনাব জাতের ও মেছতা জাতের পাটের আবাদ হয়েছে। আর অর্জিত হয়েছে ৩৫০ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ।

চলতি বছর তাড়াশ উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কিছুটা বেশি জমিতে পাটচাষ হয়েছে। পাটচাষের শুরুতে বৃষ্টিপাত কম থাকায় অনেক স্থানে চাষ কিছুটা দেরিতে শুরু হলেও ফলন ভালো হয়েছে।

ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকরাও খুশি। তাছাড়া অন্য বছরের তুলনায় এবার পাটের দাম অনেক বেশি হওয়ায় কৃষকেরা আনন্দিত।

 তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ হাট ভালো মানের পাটের মূল্য ২২শ টাকা মণ ও নিম্নমানের পাটের মূল্য ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে ন্যায্যমূল্য পেয়ে পাটচাষিরা অনেক খুশি।

গত বছর কৃষকেরা পাটের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং কৃষকেরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এ বছর পাটের আবাদ কিছুটা কমে গেছে। তারপরও কিছু চাষি পাটচাষ করে।

পাট ক্রেতা (পাইকার) প্রদিপ কর্মকার জানান, দিন দিন পাটের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের চর-হামকুড়িয়া গ্রামের ফরিদুল ইসলাম বলেন, ৬ বিঘা জমিতে পাট লাগিয়েছেন। বিঘা প্রতি উৎপাদনে হাল চাষ, সার, বীজ, জমিতে নিড়ানি, পাট কাটা ধোয়া ও বাজারজাত করতে খরচ হয় ৬-৭ হাজার টাকা। এতে কৃষকেরা বিঘা প্রতি ভালো লাভ পাচ্ছেন।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম জানান, পাট বাজারজাতকরণে মূলত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধিনে। এ বছর পাটের দাম বেশি পেয়ে কৃষকেরা অনেক খুশি। আমাদের পক্ষ থেকে পাটচাষিদের পরামর্শ দিয়ে থাকি ও পাটে কোনো রোগবালাই যেন না হয় তা দেখভাল করে থাকি।

এইচআর

 

কৃষি ও খাদ্য: আরও পড়ুন

আরও