শসা চাষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে কৃষক

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

শসা চাষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে কৃষক

আব্দুল্লাহ আল নোমান, টাঙ্গাইল ৪:২৯ অপরাহ্ণ, মে ২৬, ২০১৯

শসা চাষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে কৃষক

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে শসা চাষ করে সাবলম্বী হয়েছেন উপজেলার মোকনা, পাকুটিয়া ও মামুদনগরের প্রান্তিক চাষিরা। উচ্চ ফলনশীল জাতের হাইব্রিড আলাভী /৩৫ ও কাশিন্দা জাতের শসা চাষ করে এলাকার চাষিরা এখন স্বাবলম্বী।

বেটুয়াজানী গ্রামের চাষি রফিক মিয়া দুই বিঘা জমিতে গত ফেব্রুয়ারি মাসে শসা চাষ শুরু করে এ পর্যন্ত ৩শ মণ শসা বিক্রি করেছেন। আরো ২শ থেকে আড়াইশ মণ শসা বিক্রি হবে বলেও আশা করেন তিনি।

শসা চাষে এ এলাকার চাষিদের সাফল্য দেখে উপজেলার অন্য এলাকার চাষিরাও শসা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। তাই বেটুয়াজানী, লাড়ুগ্রাম, পারবাইজোড়াসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে ব্যাপক সাড়া পড়েছে শষা চাষের।

নবগ্রামের কৃষক সুকুমার, পাশের নরদহি গ্রামের বাদল মিয়া বলেন, আমরা অন্যান্য কৃষকের মতোই সাধারণ ফসলের চাষ করতাম। তবে এখন উপজেলার কৃষি অফিসারদের পরামর্শে ও বিভিন্ন বীজ কোম্পানির তত্ত্বাবধানে আমরা বিভিন্ন লাভজনক সবজি চাষে আগ্রহী হয়েছি।

সুকুমার আরও বলেন, আমি এবার শসার সাথে সাথী ফসল হিসেবে করলা চাষ করে সফলতা পেয়েছি।

বেটুয়াজানী গ্রামের চাষি রফিক মিয়া বলেন, আমি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসল আবাদ করলেও এই শসা চাষ করে যে সাফল্য অর্জন করেছি তা অবাক করার মতো। আমার শসা চাষ দেখতে অনেকেই আমার খেতে আসলে আমি চাষের পদ্ধতিসহ এর পরিচর্যার খুটিনাটি বিষয় বুঝিয়ে দেই।

আগামী বছরগুলোতে এই এলাকার আরো অনেকেই শসা চাষ করবেন বলে তিনি জানান।

নাগরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিএম রাশেদুল আলম পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, উপজেলার কৃষকরা সবজি চাষে তেমন একটা আগ্রহী ছিলেন না। আমাদের ব্লক সুপার ভাইজারদের অনুপ্রেরণা, বিভিন্ন বীজ কোম্পানির পরামর্শ এবং সর্বোপরি আমাদের বিভিন্ন সময়ের প্রশিক্ষণ পেয়ে কৃষকরা এখন বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে।

তিনি জানান, উপজেলার ধলেশ্বরী নদীবিধৌত মোকনা ও পাটুটিয়ার কৃষকরা ক্ষতিকর তামাক চাষ বাদ দিয়ে করলা, টমেটো ও শসাসহ বিভিন্ন সবজি চাষে ঝুঁকছে। আর এ অঞ্চলের কৃষকদের সফলতা দেখে উপজেলার অন্য এলাকার কৃষকরাও সবজি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে।

এইচআর

 

কৃষি ও খাদ্য: আরও পড়ুন

আরও