শখের বসে ড্রাগন চাষ, এখন বাগানের মালিক

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৮ | ১ ভাদ্র ১৪২৫

শখের বসে ড্রাগন চাষ, এখন বাগানের মালিক

বিরামপুর(দিনাজপুর) প্রতিনিধি ১০:১৯ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ০২, ২০১৮

print
শখের বসে ড্রাগন চাষ, এখন বাগানের মালিক

শখের বসে খামারের পাশে পতিত জমিতে ড্রাগন ফলের বাগান করে সাবলম্বী হয়েছেন এমএইচ কামরুজ্জামান নামের এক ফার্ম মালিক। প্রথমবারের মতো ১০ বিঘা পতিত জমিতে ১ হাজার গাছ লাগিয়ে বাণিজ্যিকভাবে স্বাস্থ্যসম্মত মৌসুমী ড্রাগন ফলের চাষ শুরু করে লাভের মুখ দেখেছেন তিনি। এতে করে এলাকার প্রায় একশ লোকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা সীমান্তবর্তী বিনাইল ইউনিয়নে আয়ড়ামোড়ে অবস্থিত ইজি ইলেকট্রনিক্স লি. এর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স ইজি এগ্রোফার্ম’। ফার্মটির আয়তন প্রায় ১৫০ বিঘা। এতে রয়েছে সুবিশাল ৫টি পুকুর আর অবশিষ্ট জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলের বাগানসহ রয়েছে গরুর ফার্ম।

ফার্মের ম্যনেজার মো. সাইফুর রহমান জানান, ২০১৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে  নওগাঁ জেলা থেকে ড্রাগন ফলের চারা সংগ্রহ করে ফার্মের চার বিঘা জমির উপর লাগানো হয় ৩শ ড্রাগন ফলের গাছ। শুরুতে ৩’শ গাছ রোপণ করলেও পরে এর পরিধি আরো প্রসার করা হয়েছে। বর্তমানে বাগানে ১০ বিঘা জমির উপর ১ হাজার ড্রাগন ফলের গাছ রয়েছে।

তিনি আরো জানান, গাছ লাগানো প্রায় ১ বছরের মাথায় ফল আসতে শুরু করে। বছরের জুলাই-আগস্টের মধ্যে ফল পাকতে শুরু করে। সাধারণত ফুল আসার ৪০-৪৫ দিনের মাথায় ফল পেকে যায়। একটি পোক্ত পাকা ফলের ওজন ৩শ গ্রাম থেকে ৪শ গ্রাম হয়।

ড্রাগন বাগান একবার লাগালে ১০ বছর পর্যন্ত এর থেকে ফল সংগ্রহ করা যায়। তবে বছরে ৩-৪ মাস ফল সংগ্রহ করা যায়। স্থানীয় বাজারে ড্রাগন ৩শ থেকে সাড়ে ৩শ  টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। তবে রাজধানী ঢাকার বাজারে এই ফলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

এই সুস্বাদু ড্রাগন ফলটি দেশের ফলের খাদ্য তালিতায় অন্তর্ভুক্ত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিক্সন চন্দ্র পাল জানান, ড্রাগন ফলের চারা রোপণের এক বছরের মাথায় ফলন পাওয়া যায়, প্রাকৃতিক দুর্যোগে তেমন কোনো  ক্ষতির আশঙ্কা নেই। পরিচর্যা ছাড়া তেমন কোনো খরচও করতে হয় না।

এমআর/বিএইচ/

 
.


আলোচিত সংবাদ