পঞ্চগড়ে মরিচের ভালো ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮ | ৫ শ্রাবণ ১৪২৫

পঞ্চগড়ে মরিচের ভালো ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

পঞ্চগড় প্রতিনিধি ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ, মে ২৯, ২০১৮

print
পঞ্চগড়ে মরিচের ভালো ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

পঞ্চগড় জেলার মাটি মরিচ চাষের জন্য খুবই উপযোগী। জেলার তেতুঁলিয়া, পঞ্চগড় সদর, বিশেষ করে আটোয়ারী ও বোদা উপজেলার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিরা ধারদেনা করে মরিচ চাষে ঝুঁকে পড়েছেন। কারণ বিগত বছরগুলোতে মরিচ চাষ করে ভালো মুনাফা করেছে। চলতি বছরে মরিচের পচন রোগের কারণে ফলন কিছুটা বিপর্যয় হয়েছে।

মরিচ চাষিরা জানান, কৃষি বিভাগের সঠিক সহায়তা পেলে মরিচ চাষ করে আরো ভালো ফলন পাওয়া যেত। কৃষি বিভাগের লোকজন বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ের কোনো কর্মকর্তাই মরিচের রোগ প্রতিরোধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এসব বিষয়ে কোনো পরামর্শ প্রদান করেনি।

মরিচ চাষি সিদ্দিকুর রহমান জানান, এ বছর তিনি ৩ বিঘা জমিতে মরিচের চাষ করেছেন। বিঘাপ্রতি উৎপাদন খরচ হয়েছে ২০ হাজার টাকা। আবহাওয়া ভালো থাকলে এবং মরিচ ঘরজাত (শুকনা মরিচ) করা সম্রভব হলে বিঘাপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার মরিচ বিক্রি করতে পারবেন তিনি।

ধামোর ইউনিয়নের মরিচ চাষি একরামুল হক পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, এ বছর পচন রোগে তার প্রায় আধা বিঘা জমির মরিচে ক্ষতি হয়েছে। তবে বাজারে এ বছর প্রতিমণ শুকনা মরিচ সাড়ে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে, সে হিসেবে লাভই হবে বলে জানান তিনি।

জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক মো. সামছুল হক পরিবর্তন ডটকমকে জানান, এ বছর বৃষ্টিপাতের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হওয়ায় মরিচে অ্যানথ্রাক্সনোস (পচন) রোগের কিছুটা প্রভাব পড়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এবং মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিকভাবে কৃষকের পাশে রয়েছে।

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, পঞ্চগড় জেলায় চলতি বছরে ৯ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে স্থানীয় জাতের বাঁশগাইয়া, বিন্দু জাতের মরিচের চাষ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষক মরিচ ঘরজাত করে ভালো দাম পাবে বলে কৃষি বিভাগ ও কৃষকরা আশা করছেন।

কেএ/বিএইচ/

 
.



আলোচিত সংবাদ