তিউনিসিয়ায় নির্বাচনে ইসলামপন্থী ‘আন নাহদা’র বিজয়

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

তিউনিসিয়ায় নির্বাচনে ইসলামপন্থী ‘আন নাহদা’র বিজয়

পরিবর্তন ডেস্ক ১১:৫৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ০৭, ২০১৯

তিউনিসিয়ায় নির্বাচনে ইসলামপন্থী ‘আন নাহদা’র বিজয়

তিউনিসিয়ার তৃতীয় সংসদীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে রোববার। এরপর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের আগেই নির্বাচনে দলের বিজয় ঘোষণা করেছেন ‘আন নাহদা’র প্রধান রাশেদ ঘানুশি।

আল জাজিরার সংবাদদাতা জানান, প্রধান বিরোধী দল ‘হার্ট অফ তিউনিসিয়া’র প্রধান নাবিল কারবিও তার দলের বিজয়ের আশা প্রকাশ করেছেন।

এর আগে ভোটগ্রহণ শেষ হবার পর রোববার সন্ধ্যায় মতামত জরিপ সংস্থা সিগমা কনসাই আনুমানিক ফলাফল প্রকাশ করেছে।

এতে দেখা যায়, ৪০টি আসনে এগিয়ে থেকে ১৭.৫ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রথম অবস্থানে আছে ‘আন নাহদা’। ৩৩টি আসন এগিয়ে থেকে ১৫.৬ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ‘হার্ট অফ তিউনিসিয়া’। ১৪টি আসন জিতে ৬.৮ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে ‘ফ্রি কনস্টিটিউশনাল পার্টি’। ১৮টি আসন জিতে ৬.১ শতাংশ ভোট পেয়ে চতুর্থ অবস্থানে আছে ‘ডিগনিটি কোয়ালিশন’। ১৪টি আসন জিতে ৫.১ শতাংশ ভোট পেয়ে পঞ্চম অবস্থানে আছে ‘ডেমোক্রেটিক ট্রেন্ড’।

ভোটগ্রহণ শেষে নির্বাচন কমিশন আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশন প্রধান নাবিল বাফউন বলেছেন, তিউনিসিয়ার ভেতরে মোট ভোট প্রদানের হার ছিলো ৪১.৩ শতাংশ এবং তিউনিসিয়ার বাইরে ১৬.৪ শতাংশ। তিন দিনের মধ্যে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার কথা আছে।

জরিপের ফলাফল ঘোষণার পরপরই আন নাহদা এবং হার্ট অফ তিউনিসিয়া যার যার দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে। সম্মেলনে দু’দলই নিজেদেরকে বিজয়ী বলে ঘোষণা করে।

আন নাহদার প্রধান রাশেদ ঘানুশি তিউনিসিয়ার জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘ তিউনিসিয়া এখন অর্থনৈতিক এবং সামাজিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। দুর্নীতি ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিদিনের লড়াই। ঠিক এই সময়ে আপনাদের স্বপ্নের প্রতিনিধিত্ব করতে আপনারাই আমাদের বেছে নিয়েছেন। তাই পার্লামেন্ট নির্বাচনে ‘আন নাহদা’ সন্দেহাতীত বিজয় পেয়েছে।’

এ সময় আন নাহদা সমর্থকরা দলীয় শ্লোগান দিতে শুরু করে।

অপরদিকে কর ফাঁকি ও অর্থ পাচারের অভিযোগে কারাবন্দি নাবিল কারবি তার দল ‘হার্ট অফ তিউনিসিয়া’র বিজয় ঘোষণা করেন। তবে কীভাবে তার দল বিজয়ী, এর কোনো ব্যাখ্যা তিনি দেননি।

উল্লেখ্য যে, ২০১১ সালে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি যাইনুল আবিদিন বেন আলীর পতনের পর তিউনিসিয়ায় এটি তৃতীয় পার্লামেন্ট নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে ২১৭টি আসনের জন্য লড়াই করেছেন ১৫ হাজারেরও বেশি প্রার্থী।

১৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী নির্বাচনী কার্যক্রম সুষ্ঠু করতে মোতায়েন করা হয়েছিলো ৭০ হাজার নিরাপত্তা কর্মী।

এমএফ

 

আফ্রিকা: আরও পড়ুন

আরও