শুধু আমাজন নয়, জ্বলছে আফ্রিকার অংশও: নাসা

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

শুধু আমাজন নয়, জ্বলছে আফ্রিকার অংশও: নাসা

পরিবর্তন ডেস্ক ১:১৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৮, ২০১৯

শুধু আমাজন নয়, জ্বলছে আফ্রিকার অংশও: নাসা

দক্ষিণ আমেরিকার আমাজনের পাশাপাশি আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অংশও জ্বলছে বলে খবর দিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণাকারী সংস্থা নাসা।

আমাজনকে ভয়াবহ দাবানল থেকে রক্ষা করতে গোটা বিশ্ব যখন একজোট হচ্ছে, ঠিক তখনই নাসার উপগ্রহচিত্র ধরা পড়েছে আফ্রিকার দক্ষিণ অংশ জুড়ে একই রকম ভয়াল আগুনের ছবি। কঙ্গো অববাহিকায় ১০ লক্ষ বর্গমাইলেরও বেশি এলাকা এখন দাবানলের গ্রাসে। আমাজনের পর এই এলাকাকেই বলা হয় ‘পৃথিবীর দ্বিতীয় ফুসফুস’। সে ফুসফুসও এবার বিপন্ন।

গোটা পৃথিবীর পরিবেশবিদদের পক্ষ থেকে চাপ তৈরি হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে জি-৭ ভুক্ত দেশগুলি আমাজনকে বাঁচাতে তৎপর হলেও আফ্রিকার কথা এখনও সেভাবে শিরোনামে আসেনি।

তবে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ জি-৭ বৈঠকে গতকাল এক বার উল্লেখ করেছিলেন যে, সাহারা মরুভূমি সংলগ্ন এলাকাতেও জঙ্গলে আগুন জ্বলছে। এর পর তিনি জানান, ব্রাজিল নিয়ে ঐকমত্য তৈরি হওয়ার পর এ বিষয়টা নিয়েও তারা চিন্তা-ভাবনা করবেন।

কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, গ্যাবন, ক্যামেরুন এবং মাদাগাস্কার জুড়ে বিস্তৃত আফ্রিকার এই অরণ্য। গত সপ্তাহে কঙ্গো ও অ্যাঙ্গোলায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ব্রাজিলের চেয়েও ভয়াল আগুন দেখা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের জলবায়ু সংক্রান্ত কর্মী ও দূত টোসি এমপানু বলেছেন, ‘আফ্রিকা আর ব্রাজিলের আগুন একই কারণে তৈরি হয়নি। আমাজনে হয়তো খরা ও জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে দাবানলের এই অবস্থা। তবে মধ্য আফ্রিকা কিন্তু জ্বলছে মূলত ভ্রান্ত কৃষি পদ্ধতির কারণে।’

কঙ্গোয় জঙ্গল পরিষ্কারের জন্য জুম পদ্ধতিতে চাষ হয়। কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে মাত্র ৯ শতাংশ মানুষ বিদ্যুতের সুবিধা পান। তাই বেশির ভাগ মানুষ কাঠ জ্বালিয়ে রান্নাবান্না ও অন্য কাজ করেন। গ্যাবন ও কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের কিছু অংশে অরণ্য-নিধন চলছে ব্যাপক হারে। খনিজ ও তেল প্রকল্পের কারণেও ক্ষতি হচ্ছে অরণ্যের।

তবে বিশেষজ্ঞদের অনেকে এখনই আফ্রিকার সঙ্গে আমাজনের তুলনা টানতে চাইছেন না বলে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

আরপি

 

আফ্রিকা: আরও পড়ুন

আরও