লিবিয়ায় অভিবাসী বন্দীশিবিরে হামলা, নিহত ৪০

ঢাকা, ১৩ মে, ২০১৯ | 2 0 1

লিবিয়ায় অভিবাসী বন্দীশিবিরে হামলা, নিহত ৪০

পরিবর্তন ডেস্ক ৩:১৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ০৩, ২০১৯

লিবিয়ায় অভিবাসী বন্দীশিবিরে হামলা, নিহত ৪০

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপলির বাইরে একটি অভিবাসী বন্দীশিবিরে হামলায় অন্তত ৪০ জন অভিবাসী নিহত হয়েছেন। দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা এই খবর জানিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৮০ জন।

দেশটির জাতিসংঘ সমর্থিত সরকার বলছে, বিমান হামলার কারণে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

বিরোধী নেতা খালিফা হাফতারের নেতৃত্বে সরকারবিরোধীরা অবশ্য এই হামলার জন্য সরকারি বাহিনীকে দায়ী করেছে।

নিহতদের মধ্যে বেশিরভাগই আফ্রিকা অঞ্চলের বাসিন্দা। লিবিয়া থেকে সাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন তারা।

এখানকার সরকার পরিচালিত বন্দী শিবিরে হাজার হাজার অভিবাসীকে আটকের পর রাখা হয়।

যেগুলোর বেশিরভাগই দেশটির সংঘাত-পূর্ণ এলাকাগুলোর কাছাকাছি অবস্থিত।

২০১১ সালে দেশটির দীর্ঘদিনের শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে অপসারণ ও হত্যার পর থেকেই সংঘাতের কারণে বিভক্তি দেখা দিয়েছে।

বিবিসি বলছে, জরুরি সেবা বিভাগের মুখপাত্র ওসামা আলি জানান, হামলার সময় তাজুরা বন্দী শিবিরে ১২০ জন অভিবাসী একটি হ্যাঙ্গারে অবস্থান করছিলেন।

লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ডা. খালিদ বিন আত্তিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তার বিস্তারিত বর্ণনা দেন।

জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী ফায়েজ আল-সেরাজ অভিযোগ করেন, স্ব-নিয়ন্ত্রিত লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি ওই শিবিরে হামলা চালিয়েছে।

তবে খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন ওই বাহিনী এলএনএ বলছে, যে এলাকায় হামলাটি হয়েছে সেখানেই সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়ছেন তারা।

বাহিনীটি গত সোমবার ঘোষণা দেয় যে, প্রচলিত যুদ্ধের সব কৌশল ব্যর্থ হওয়ায় ত্রিপলিতে বিভিন্ন জায়গায় বিমান হামলা চালাবে তারা।

এলএনএ জানায়, বন্দী শিবিরের কাছেই সরকারের একটি শিবির লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায় তারা। যার জবাবে পাল্টা শেল ছোড়ে সরকারি বাহিনী।

ওই শেলগুলোর একটি দুর্ঘটনাবশত অভিবাসী বন্দী শিবিরে আঘাত করে।

আরপি

 

আফ্রিকা: আরও পড়ুন

আরও