এবার ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রতিশোধ নিতে চান দালিচ

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮ | ২ শ্রাবণ ১৪২৫

এবার ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রতিশোধ নিতে চান দালিচ

পরিবর্তন ডেস্ক ১২:০৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ১২, ২০১৮

print
এবার ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রতিশোধ নিতে চান দালিচ

স্বপ্ন সিঁড়ির শেষ ধাপে এখন ক্রোয়েশিয়া। বিশ্বকাপে নিজেদের অতীত সাফল্য ছাড়িয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস লিখেছে দলটি। বুধবার দ্বিতীয় সেমি ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো জায়গা করে নিয়েছে ফাইনালে। ১৫ জুলাই মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে ফ্রান্সের বিপক্ষে শিরোপার লড়াই এবার দলটির।

ফ্রান্সের বিপক্ষেই ১৯৯৮ বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালে ১-২ গোলে হেরে যায় ক্রোয়েটরা। সেবার বিশ্বকাপ জিতে নেয় ফ্রান্স। আর তৃতীয় হতে হয় ক্রোয়েশিয়াকে। রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে ২০ বছর আগের সেই ম্যাচের প্রতিশোধ নিতে চান ক্রোয়েট কোচ জাৎকো দালিচ।

বিশ্বকাপে সবার দৃষ্টি থাকে ফুটবল মাঠে। ফুটবলারদের পায়ের দিকে তাকিয়ে থাকেন সবাই। কিছুটা হলেও দৃষ্টি থাকে কোচদের প্রতিও। যে জায়গায় এবার সবচেয়ে আলোচিত নাম জাৎকো দালিচ। যার অধীনে ক্রোয়েশিয়া ইতিমধ্যে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ সাফল্য লিখে ফেললো। দারুণ আত্মবিশ্বাসী কোচ ইংল্যান্ড ম্যাচের আগেও তো একরকম যুদ্ধ ঘোষণাই করলেন। ম্যাচেও দুর্দান্ত খেলল তার দল। মাত্র ৫ মিনিটেই পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফেরা। অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে ২-১ গোলে জয় ছিনিয়ে নেওয়া এক কথায় দুর্দান্ত।

সেমি ফাইনালের পথ পেরিয়ে যখন ফাইনালে ফ্রান্সের মুখোমুখি হওয়ার অপেক্ষায় ক্রোয়েশিয়া, তখন ২০ বছর আগের স্মৃতি ফিরে ফিরে আসছে। জাৎকো দালিচও ফিরে গেলেন সেই সময়ে, ‘১৯৯৮ সালে গ্রুপের প্রথম তিন ম্যাচে আমি সাপোর্টার হিসেবে ফ্রান্সে ছিলাম। প্রাক-মৌসুম পরিস্থিতিতে আমাকে শেষ ম্যাচের আগেই ফিরে যেতে হয়েছিল। অবশ্যই ক্রোয়েশিয়ার প্রত্যেকে সেটি মনে রেখেছে। ২-১ ফল ছিল। এটা গত ২০ বছর ধরে আলোচনা হয়েছে।’

সেই আলোচনা এবার আরো তুঙ্গে। দালিচ বলছেন, ‘হয়তো এই খেলাটির একটি ঐতিহাসিক তাৎপর্য আছে। সুযোগ এখন সেটার জ্বালা জুড়ানোর। উভয় দলই তাদের সেরাটা প্রমাণ করেছে এবং ফাইনালে খেলার দাবি রাখে।’ এখন তাই নিজেদের দিকেই নজর তার, ‘এটা ফুটবল। ফাইনালে টুর্নামেন্টের সেরা খেলাটা খেলতে নিজেদের তৈরির জন্য এখন আমাদের নজর দিতে হবে।’

নিজের শিষ্যদের মানসিক দিক নিয়েও দৃঢ় আস্থা জাৎকো দালিচের, ‘প্রাথমিকভাবে তাদের মধ্যে পূর্ণ বিশ্বাস বা আস্থা ছিল না। কিন্তু টুর্নামেন্ট গড়ানোর সাথে সাথে তারা আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। তারা মানসিকভাবে এবং শক্তির দিক থেকে দৃঢ় হয়ে উঠেছে।’

সূত্র : গোল ডটকম।

টিএআর

 
.



আলোচিত সংবাদ