খেলোয়াড়-কোচ তিম, অন্যরকম ইতিহাস

ঢাকা, বুধবার, ২৩ মে ২০১৮ | ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫

বিশ্বকাপ ফুটবল রেকর্ডস

খেলোয়াড়-কোচ তিম, অন্যরকম ইতিহাস

ইম্মানুয়েল শোভন মন্ডল ৪:৩১ অপরাহ্ণ, মে ১৬, ২০১৮

print
খেলোয়াড়-কোচ তিম, অন্যরকম ইতিহাস

পৃথিবীতে জাতিসংঘের সদস্য যতগুলো দেশ, তার চেয়ে বেশি সদস্য রয়েছে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফায়। ফুটবলের আবেদন ও জনপ্রিয়তা বোঝাতে এই একটি তথ্যই যথেষ্ট। আর এই আবেগে জোয়ার তুলতে চার বছর পর আবার আসছে ফুটবল শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই ‘ফিফা বিশ্বকাপ’। ৮৮ বছরের ইতিহাসে এটা বিশ্বকাপের ২১তম আয়োজন, এবছরের ১৪ জুন যা শুরু হচ্ছে রাশিয়ায়। ৬ মার্চ শুরু হয়ে গেছে এই ফুটবল জ্বরে ভোগার ১০০ দিন গণনা। পাঠক চলুন এই উন্মাদনায় জেনে নিই প্রথমে খেলোয়াড় ও পরবর্তীতে কোচ হিসেব দুই বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার মাঝে দীর্ঘতম সময় ব্যবধানের রেকর্ড কোন ফুটবলারের-

এলবা দি পাদুয়া লিমা। সংক্ষেপে তিম নামে পরিচিত। ব্রাজিল ফুটবল দল এখনকার ব্রাজিল হয়ে ওঠারও আগের সময়ের খেলোয়াড় তিনি। মাঠে নামতেন অ্যাটাকার (বর্তমান স্ট্রাইকার) হিসেবে। সেলেকাওদের হয়ে ১৯৩৮ সালে ফ্রান্সে খেলেন ক্যারিয়ারের প্রথম ও একমাত্র বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপ তার দ্বিতীয় দর্শন পায় ৪৪ বছর পর। ১৯৮২ সালে, স্পেনে। তখন তিনি পেরুর জাতীয় দলের কোচ। একজন মানুষের দুই বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার মধ্যে সময় ব্যবধানে এটি রেকর্ড।

তিম :

১৯২৮ সালে বোতাফাগো-এসপি ক্লাবে শুরু হয় তিমের ক্যারিয়ার। ১৯৩১ সালে ক্লাবটির সিনিয়র দলে জায়গা পান তিনি। প্রতিভাবান এই অ্যাটাকারের দক্ষতার কারণে তখন পর্যন্ত বোতাফাগোর সবচেয়ে বড় খেলোয়াড় পিকেতোতে দল থেকে বাদ পড়েন।

১৯৩৬ সালে তিম ব্রাজিলের জাতীয় দলে ডাক পান। সেলেকাওদের হয়ে ফ্রান্সে ১৯৩৮ সালে প্রথমবারের মত বিশ্বকাপে অংশ নেন। পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র একটি ম্যাচেই মাঠে নামেন। চেকোস্লোভাকিয়ার বিপক্ষে সেই কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল ২-১ গোলে হেরে বিদায় নেয়। ব্রাজিলের একমাত্র গোলটি করেছিলেন রবের্তো।

এরপর বিশ্বযুদ্ধের কারণে আর বিশ্বকাপের দুটি আসর অনুষ্ঠিত হয়নি। ব্রাজিল দল থেকে ১৯৪৪ সালে অবসর নেন তিম। দলটির হয়ে মোট ১৬টি ম্যাচ খেলেন। গোল করেছেন একটি।

১৯৫১ সালে পেশাদার ফুটবলকেও বিদায় বলেন এই খেলোয়াড়। এর আগে থেকেই ফুটবলার কাম কোচ হিসেবে তিনি কাজ করছিলেন। অবসরের পর পুরোপুরি কোচিংয়ে মনোযোগ দেন।

১৯৮১ সালে তিনি পেরুর জাতীয় দলের দায়িত্ব পান। দলটিকে ঢেলে সাজান তিম। বাছাইপর্বের বাধা কাটিয়ে মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে পেরু। প্রথম ম্যাচে ক্যামেরনের সাথে গোলশূন্য ড্র এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ইতালির সাথে ১-১ গোলে ড্র করে দলটি। তবে শেষ ম্যাচে পোল্যান্ডের কাছে ৫-১ গোলের বিশাল হার নিয়ে বিশ্বকাপ পর্ব শেষ হয় পেরুর।

এর দুই বছর পর, ১৯৮৪ সালে তিম পরলোকগমন করেন।

এসএম/ক্যাট

 

 

 

 

 

 

 

 

 
.

Best Electronics Products



আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad