অনিয়মিত মাসিক হতে পারে বন্ধ্যাত্বের কারণ

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৭ | ৯ কার্তিক ১৪২৪

অনিয়মিত মাসিক হতে পারে বন্ধ্যাত্বের কারণ

পরিবর্তন ডেস্ক ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭

print
অনিয়মিত মাসিক হতে পারে বন্ধ্যাত্বের কারণ

অনিয়মিত মাসিক ও ঋতুস্রাব একটি মেয়েলি সমস্যা। বিশেষ করে কিশোরীদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। মাসিক সাধারণত ২১ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে হয়। অবশ্য কখনো কখনো দুই একদিন আগে পিছে হতে পারে৷ যদি ২১ দিনের আগে অথবা ৩৫ দিনের পর হয় তবে এটাকে অনিয়মিত মাসিক বলা হয়। যৌবনের প্রারম্ভে বা যৌবনের শেষ পর্যায়ে এরকম সমস্যা দেখা দেয়।

অনিয়মিত মাসিক হওয়ার কারণ :

. স্ত্রী (ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন) হরমোনের ভারসাম্যের অভাবে।

. জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল হঠাৎ খাওয়া বন্ধ করলে।

. জননাঙ্গের যক্ষা, গণোরিয়া, সিফিলিস, এইডস, ডায়াবেটিস প্রভৃতির কারণে হতে পারে।

. সন্তান প্রসবের পর পরও এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।

. মানসিক কারণেও হতে পারে।

. হঠাৎ অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি।

. রক্তস্বল্পতা।

লক্ষণ :

. মাসে ২/৩ বার মাসিক বা ঋতুস্রাব হতে পারে।

. শুরু হওয়ার ১/২ দিন পরই শেষ হয়ে যায় এবং কয়েকদিন পর আবার শুরু হয়।

. একনাগাড়ে অনেকদিন ধরে চলতে পারে।

. কোনো কোনো সময় স্বল্পকালীন মাসিক দেখা যায় এবং পরবর্তীতে মাসিক শুরু হলে তা প্রায় ২/৩ মাস পর্যন্ত চলতে থাকে।

. রক্তস্বল্পতা বা এনিমিয়া দেখা দিতে পারে।

. ক্ষুধামন্দা ও শরীর দুর্বল বোধ হয়।

. মেজাজ খিটখিটে ও অশ্বস্তি বোধ।

. রুগ্নতা ও সাংসারিক অশান্তি দেখা দিতে পারে।

জটিলতা :

. সন্তান ধারণে অক্ষমতা বা বন্ধ্যাত্ব দেখা যেতে পারে।

. অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ হতে পারে।

. টিউমার ও ক্যান্সারজনিত হলে সময়মতো উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে মৃত্যুও হতে পারে।

চিকিত্সা :

. রোগীকে সম্পূর্ণরূপে বিশ্রামে থাকতে হবে এবং পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।

. মানসিকভাবে আস্বস্ত হতে হবে।

. রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে উপযুক্ত চিকিৎসা দিতে হবে।

. পুষ্টিকর খাবার ও হালকা ব্যায়াম করতে হবে।

পরামর্শ :

. এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে অস্থির না হয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

. রোগীকে মানসিকভাবে আশ্বস্ত করতে হবে।

তথ্য সূত্র : bustle

ইসি/

print
 

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad