শিশুতোষ দুরন্ত টেলিভিশনে দ্বিতীয় মৌসুমে ৬ অনুষ্ঠান

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ এপ্রিল ২০১৮ | ৬ বৈশাখ ১৪২৫

শিশুতোষ দুরন্ত টেলিভিশনে দ্বিতীয় মৌসুমে ৬ অনুষ্ঠান

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৮:১০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪, ২০১৮

print
শিশুতোষ দুরন্ত টেলিভিশনে দ্বিতীয় মৌসুমে ৬ অনুষ্ঠান

বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র শিশুতোষ চ্যানেল দুরন্ত টেলিভশনের দ্বিতীয় মৌসুমে শুরু হয়েছে ছয়টি নতুন অনুষ্ঠান এবং পাঁচটি কার্টুন। দ্বিতীয় মৌসুমের আগে যে সকল অনুষ্ঠান চলমান ছিল তার সঙ্গেই নতুন ছয়টি অনুষ্ঠান এবং পাঁচটি কার্টুন যুক্ত হলো।

দুরন্ত টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় ২০১৭ সালের ১৫ অক্টোবর। শিশুদের নিয়ে অনুষ্ঠান এখানে ২৪ ঘণ্টা প্রচার করা হয়।

রোববার দুরন্ত টেলিভিশন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দ্বিতীয় মৌসুমের অনুষ্ঠানের বিষয়ে জানান প্রতিষ্ঠানের হেড অব প্রোগ্রামার আলী হায়দার।

দ্বিতীয় মৌসুমের অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে বন্ধুত্ব নিয়ে। এখানে-নাচের ইশকুল, স্বপ্ন আকার দল, সোনার কাঠি রূপার কাঠি, দুষ্টু মিষ্টি, ব তে বন্ধু এবং কাবিল কোহকাফী এই ছয়টি নতুন অনুষ্ঠান থাকবে।

এছাড়া দ্বিতীয় মৌসুমে কার্টুন থাকবে- অজি বু, এইচ টি ডি টি, ক্রাফটি কিডস ক্লাব, ট্রি ফু টম, দ্যা হাপেটস, ক্লে কিডস এবং হেয়ারপোর্ট।

এছাড়া আগে থেকে অনুষ্ঠান মালায় থাকছে- দুরন্ত সময়, গল্প শেষে ঘুমের দেশে, দুরন্ত ক্রিকেট, কেট অ্যান্ড মিম মিম, লুকাস অ্যান্ড এমিলি, ঈনা মীনা ডীকা, ড্রাগন হান্টার্স, মিনাসকুল, টিপ দ্যা মাউস, মীয়া, উইসপার, বালুপ্পো ও গেস হোয়াট।

সংবাদ সম্মেলনে আলী হায়দার বলেন, মাতৃভাষাকে প্রাধান্য দিয়ে এবং আমাদের নিজেদের সংস্কৃতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিদেশি কার্টুন প্রচার করা হয়। বিশ্বের অনেক নাম করা কার্টুন আমরা দেখাই না। এর কারণ আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে মিলে না।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুরন্ত টেলিভিশনের পরিচালক অভিজিৎ চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রতিটি অনুষ্ঠান প্রচার হবে ঘড়ির কাঁটা ধরে। এছাড়া প্রতি আধাঘণ্টায় আট মিনিট বিজ্ঞাপন প্রচার করা হবে।

এভাবে অনুষ্ঠান প্রচারের বিষয়ে অভিজিৎ বলেন, আমরা চাই একটা নিয়মের মধ্যে আমাদের দর্শকেরা আসুক। তাদের মাথায় যেন আমাদের অনুষ্ঠান মালা সেট হয়ে থাকে।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রথমে আলী হায়দার বলেন, শিশুতোষ সিনেমা প্রতিবছর একটা বানাতে চাই। কিন্তু আমাদের সেই পরিমাণ অর্থ নেই। একটা সিনেমার জন্য ৫০ লাখ টাকা খরচ করতে পারব। কিন্তু এই টাকায় সিনেমা হবে না। বাকি টাকা যদি সরকার দেয়, তাহলে প্রতিবছর সিনেমা বানানো সম্ভব।

একই প্রসঙ্গে অভিজিৎ চৌধুরী বলেন, সিনেমা বা কার্টুন বানানো অনেক ব্যয়বহুল। এছাড়া বাংলা ভাষার কনটেন্টের মার্কেট কম। তাই ইনভেস্টমেন্ট পাওয়া কষ্ট হয়ে গেছে। তবুও আমরা চেষ্টা করছি।

তিনি জানান, দেশে এখনো কার্টুন বানানোর মতো দক্ষতা গড়ে ওঠে নাই। তাই বিদেশি কার্টুন ডাবিং করতে হচ্ছে।

এফবি/এমএসআই

 
.




আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad