চলুন যাই ‘পারকীর চর’

ঢাকা, বুধবার, ২৩ মে ২০১৮ | ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫

চলুন যাই ‘পারকীর চর’

পরিবর্তন ডেস্ক ৯:৩৩ অপরাহ্ণ, মে ১১, ২০১৮

print
চলুন যাই ‘পারকীর চর’

স্থানীয় ভাষায় ‘পারকীর চর’ আর পর্যটনীয় ভাষায় ‘পারকী বিচ’ বা সৈকত। এটা মূলত কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত। অর্থাৎ কর্ণফুলী নদীর মোহনার পশ্চিম তীরে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈতক এবং পূর্বদক্ষিণ তীরে পারকী সমুদ্র সৈকত। এটি চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ার থানার অর্ন্তগত একটি উপকূলীয় সমুদ্র সৈকত।

সৈকতে ঢুকার পথে সরু রাস্তার দুপাশে সারি সারি গাছ, সবুজ প্রান্তর আর মাছের ঘের দেখতে পাবেন। সৈকতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মতো অসংখ্য ঝাউ গাছ আর ঝাউবন দেখতে পাবেন। ঝাউবনের ফাঁকে ফাঁকে অসংখ্য খাবার দোকান আছে। ফুসকা, চটপটি, বা দুপুরের খাবারও সারতে পারেন এখানে।

সৈকতে ঘোড়া, রাইডিং বোট, বসার জন্য বড় ছাতাসহ হেলানো চেয়ার পাবেন। বিভিন্ন জুস ও পানীয়র সাথে বিয়ার ও হার্ড ড্রিংকসের চোরাই ব্যবস্থাও লক্ষ্য করলাম। এছাড়া মজার একটি খেলা ‘রিংথ্রো’ পাবেন। এতে ইচ্ছে করলে হাতের নিশানা প্র্যাক্টিস করতে পারেন। সুতরাং যে কোনো সময় আপনি ঘুরে আসতে পারেন নতুন একটি সৈকত ‘পারকী বিচ’।

চট্টগ্রাম সার কারখানা ও কাফকো যাওয়ার পথ ধরে এই সৈকতে যেতে হয়। পারকী বিচে যাওয়ার পথে আপনি কর্ণফুলী নদীর উপর প্রমোদতরীর আদলে নির্মিত নতুন ঝুলন্ত ব্রিজ দেখবেন। পথে চট্টগ্রাম সার কারখানা ও কাফকো দেখতে পাবেন।

যেভাবে যাওয়া যায়: চট্টগ্রাম শহর থেকে ‘পারকী বীচের’ দূরত্ব প্রায় ২৫ কিঃমিঃ। যেতে সময় লাগবে ১ ঘণ্টা। সরাসরি কোনো বাস সার্ভিস নেই। চট্টগ্রাম শহর থেকে রেন্টে-কার, ক্যাব, মাইক্রো বা সি.এন.জি বেবি ইত্যাদি রিজার্ভে আসা যাওয়ার জন্য ভাড়া করতে হবে। রেন্টে-কার, ক্যাব, মাইক্রো আসা যাওয়ার ভাড়া নূন্যতম ১৫০০ টাকা নিবে। সি.এন.জি স্কুটার বা বেবিতে আসা যাওয়ার জন্য নিবে ৬০০ টাকা। শুধু যাওয়া বা আসা এক পথ ৩০০ টাকা। এতে অনেক সময় ফিরতি পথে ঠিক মতো গাড়ি পাওয়া যায় না। তাই আসা-যাওয়ার জন্য গাড়ী রিজার্ভ করাই ভালো।

ইসি/

 
.

Best Electronics Products



আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad