‘বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা আইসিটির জব মার্কেটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়’

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৮ | ১১ বৈশাখ ১৪২৫

‘বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা আইসিটির জব মার্কেটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৪:৫৪ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৫, ২০১৮

print
‘বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা আইসিটির জব মার্কেটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়’

বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের নেতৃত্বের জায়গায় পৌঁছেছে উল্লেখ করে সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, আমরা আইসিটির মাধ্যমে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের নেতৃত্বের জায়গায় পৌঁছেছি। তবে এই বিপ্লবের ক্ষেত্রে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটা সংকট রয়েছে। আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা আইসিটির জব মার্কেটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। শিক্ষার্থীরা প্রোগ্রামিং জানে না। আর প্রোগ্রামিং জানাশোনাদের চাকরি খুঁজতে হয় না। প্রতিষ্ঠানই তাদের খুঁজে নেয়।

রোববার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে দুই দিনব্যাপী বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) সামিট-২০১৮ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপেদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। আরও বক্তব্য দেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমেদ এমপি, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান শরীফ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, আমরা এবার আমাদের এই সামিটের থিম রেখেছি-ক্রিয়েটিভ ইকোনমি। কৃষি নির্ভর দেশ থেকে ক্রিয়েটিভ ইকনোমি নিয়ে ভাবনার বিষয় রয়েছে। এজন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে ডিজিটালে রূপান্তর করতে হবে। প্রাথমিক স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত থাকতে হবে আইসিটি শিক্ষা।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, বিপিওতে আমরা অনেক মিস করেছি। অনেক সুযোগ ইন্ডিয়া নিয়ে নিয়েছে। কিন্তু আমরা দেরিতে অংশগ্রহণ করেছি নেতৃত্ব দেয়ার জন্য, পিছিয়ে থাকার জন্য নয়। তাই বিপিওকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া উচিত।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি’র (গ্রস ডমেস্টিক প্রোডাক্ট) ৩৭ শতাংশ অর্জন হয় মেধা সত্ত্বাকে কাজে লাগিয়ে। বাংলাদেশ কি সেটা পারে না?

তিনি বলেন, মেধা সত্ত্বাকে কাজে লাগানোর জন্যই ২০১৮ সালের মধ্যে আমরা প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে ব্রডব্যান্ড পৌঁছে দেব।

অনুষ্ঠানে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, দেশের ৭০ শতাংশ তরুণ ৩৫ বছরের নিচে। এদের কাজে লাগাতে হবে। আইসিটিতে আয় করার জন্য উচ্চ শিক্ষিত হতে হয় না। কিছু প্রশিক্ষণ নিয়েই কাজ করা যায়। আমাদের লার্নিং আর্নিং কর্মসূচির মাধ্যমে এসএসসি, এইসএসসি পাশ ছেলে মেয়েরা তাদের গ্রামের বাড়িতে বসেই ডলার আয় করছে। 

এসইউজে/এএল 

 
.




আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad