স্পেস স্টেশন বেসরকারি খাতে দেয়ার চিন্তা করছে ট্রাম্প প্রশাসন

ঢাকা, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | ৫ ফাল্গুন ১৪২৪

স্পেস স্টেশন বেসরকারি খাতে দেয়ার চিন্তা করছে ট্রাম্প প্রশাসন

মোহাম্মদ মামুনূর রশিদ ৭:৩৩ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৮

print
স্পেস স্টেশন বেসরকারি খাতে দেয়ার চিন্তা করছে ট্রাম্প প্রশাসন

রিয়েল স্টেট কোম্পানিগুলোর ভবিষ্যত হচ্ছে মহাশূন্যে বিভিন্ন স্থাপনা তৈরি করে বিক্রি বা ভাড়া দেয়ার চেষ্টা করা। সেটি কত দ্রুত ঘটবে তা কেউ বলতে পারে না, তবে ব্যয়বহুল মহাকাশ গবেষণা এখন আর শুধু সরকারী সহায়তায় পরিচালনা করা হচ্ছে না।

এবার, পৃথিবী প্রদক্ষিণরত ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল অর্থায়ন বন্ধ করে বেসরকারি সংস্থার দ্বারা সেটির অর্থায়নের চিন্তা করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন।

নাসার একটি নথি উদ্ধৃত করে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ২০২৪ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রের সরকার উড়ন্ত গবেষণাগারটি সরাসরি সাহায্য দেয়া বন্ধ করে দেবে।

নাসা বলেছে, ইন্টারন্যাশনাল স্পেস ষ্টেশন (আইএসএস) সরাসরি সাহায্য দেয়া বন্ধ করে দিলে সেটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হবে বিষয়টি এমন নয়। আইএসএসের কিছু অংশকে ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের জন্য পরিচালনা করা হতে পারে।

নাসা লো আর্থ অরবিট অর্থাৎ পৃথিবীর কাছাকাছি কক্ষপথে মানুষের যাতায়াত আরও বৃদ্ধি করতে আগামী সাত বছরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও বাড়িয়ে তুলবে।

ট্রাম্পের প্রশাসন ২০১৯ সালে স্পেস ষ্টেশনটিকে বাণিজ্যিকভাবে সচল রাখার জন্য ১৫০ মিলিয়ন ডলার অর্থায়ন চাইবে।

আইএসএস বর্তমানে মহাকাশে ভাসমান পৃথিবীর তৈরি সবচেয়ে স্থাপনা। যুক্তরাষ্ট্র এটি তৈরি ও পরিচালনা করতে ইতিমধ্যেই ১০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে।

ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, আইএসএসকে বেসরকারি খাতে দিয়ে দেয়া হলে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার তীব্র সমালোচনার সম্মুখীন হবে।

স্পেস স্টেশনটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৪৮ মাইল উপরে ঘণ্টায় ১৭,৫০০ মাইল গতিতে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করছে। এটি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে বছরে ১.১ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়।

রিপাবলিকান সিনেটর টেড ক্রুজ মন্তব্য করেছেন, 'একটা প্রকল্পে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করার পর সেটি সম্পূর্ণ ব্যবহারযোগ্য থাকা অবস্থাতেই বাতিল করে দেয়ার মতো আহাম্মকি আর কিছুই হতে পারে না।'

মহাশূন্যে স্টেশনটি ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তৈরি করা হয়েছিল। এখন পর্যন্ত ২৩০ জন ব্যক্তি ওই স্পেস ষ্টেশনে গিয়েছেন। ২০২৮ সাল পর্যন্ত এটি ব্যবহার করার কথা।

পনেরটি দেশ জটিল কিছু চুক্তির আওতায় পাঁচটি স্পেস এজেন্সি বা মহাকাশ গবেষণা সংস্থার মাধ্যমে আইএসএস পরিচালনা করে।

এমআর/এএসটি

 
.

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad