শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওরে পলো বাওয়া উৎসব

ঢাকা, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৪

শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওরে পলো বাওয়া উৎসব

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি ১১:০৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০১৮

print
শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওরে পলো বাওয়া উৎসব

শত বছরের বাঙালি সংস্কৃতির ধারক ও বাহক আবহমান গ্রাম বাংলার এই পলো বাওয়া উৎসব আজ কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে। আকাশ সংস্কৃতির এই যুগে দেশিয় সংস্কৃতির এই চিত্র আজ অধরা।

পলো দিয়ে মাছ ধরার গ্রাম বাংলার মানুষের কাছে একটি আনন্দ। মঙ্গলবার মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওর ছিল সেই আনন্দে মুখরিত।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে হাইল হাওরের নওয়াগাঁও রাজাপুর এলাকায় অনুষ্ঠিত পলো দিয়ে মাছ ধরার এ উৎসবে  একসাথে মেতে উঠেছিলো এলাকার শিশু, কিশোর, যুবক, বৃদ্ধ সকলেই।

মঙ্গলবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত হাইল হাওরে পানিতে পলো বাওয়া শেষে রুই, কাতলা, বোয়াল, শিং, মাগুর, কৈ, লাটি, টাকি ইত্যাদি দেশি প্রজাতির মাছের সমাহার নিয়ে হাসিমুখে বাড়ি ফিরেন সকলে।

স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন আহমেদ পরিবর্তন ডটকমকে জানান, ৭/৮ বছর পর শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওরে এ ধরণের পলো বাওয়া উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিবছর যেন এই পলো বাওয়া উৎসবের আয়োজন করা হয় সেজন্য প্রশাসনিক উদ্যোগ ও সহযোগিতা কামনা করেন।

পলো বাওয়া উৎসবে অংশগ্রহণকারি রমা দেব পরিবর্তন ডটকমকে জানান, তিনি প্রথমবারের মতো এই মাছধরা উৎসবে অংশ গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন- এটি শত বছরের বাঙালি সংস্কৃতির আনন্দদায়ক একটি উৎসব।

পলো বাওয়া উৎসবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বিনেন্দু ভৌমিক। তিনি পরিবর্তন ডটকমকে বলেন- গ্রাম বাংলার ইতিহাস ঐতিহ্যকে লালন করা এই পলো বাওয়া উৎসবটি আমাদের শৈশব স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়। বাংলার প্রাচীন সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখতে এ ধরণের উৎসবে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণ জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

এমআই/এএফ

 
.

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad