পুঁজিবাজার গতিশীল করতে আরও সহায়তা দিতে প্রস্তুত সরকার

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৭ | ৯ কার্তিক ১৪২৪

পুঁজিবাজার গতিশীল করতে আরও সহায়তা দিতে প্রস্তুত সরকার

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৭:২৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৭

print
পুঁজিবাজার গতিশীল করতে আরও সহায়তা দিতে প্রস্তুত সরকার

দেশের পুঁজিবাজারের উন্নতি ও গতিশীল করতে সরকার আরও সহায়তা দিতে প্রস্তুত। বাজারের জন্য যদি কোনো আইনী সহায়তা প্রয়োজন হয়, সেটিও করবে সরকার। একইসঙ্গে পুঁজিবাজার বিকাশে কোনো আইনী প্রতিবন্ধকতা থাকলে সেগুলোও দূর করার কারার কথা জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরাম (সিএমজেএফ) ও বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) উদ্যোগে এক কর্মশালায় তিনি এ কথা জানান।

এম এ মান্নান বলেন, পুঁজিবাজার স্থিতিশীল ও গতিশীল করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির সঙ্গে স্টেকহোল্ডাররা কাজ করে যাচ্ছে। যেখানে সরকার আইনি সহায়তার মাধ্যমে ভূমিকা রাখছে। এই বাজারের মঙ্গলের জন্য যেসব আইন বাধার সৃষ্টি করছে; সেগুলো সরিয়ে দেওয়া উচিত। তাহলে পুঁজিবাজারের উন্নতি সম্ভব।

বিএমবিএ সভাপতি ছায়েদুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএসইসি চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন। তিনি পুঁজিবাজারের বিভিন্ন সংস্কার ও কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, আমাদের দেশের অর্থনীতি যেভাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে পুঁজিবাজার তেমনভাবে প্রবৃদ্ধি হয়নি। যে দেশের পুঁজিবাজার যত বড় সে দেশের অর্থনীতি তত বড়। উন্নত দেশের অর্থনীতির জিডিপিতে পুঁজিবাজারের অবদান অনেক বেশি।

বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির উদাহরণ টেনে তিনি আরো বলেন, একটি সমৃদ্ধ পুঁজিবাজার একটি উন্নত অর্থনীতির পূর্বশর্ত। আপনারা দেখবেন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশের জিডিপি সাইজ হলো ৮০ শতাংশ সেখানে ওই দেশের পুঁজিবাজার সাইজ ৮০ শতাংশেরও বেশি।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সম্পর্কে তিনি বলেন, এক সময় শেয়ারবাজরের লেনদেনে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ ছিল এক শতাংশের মত। বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ ৫ শতাংশের উপরে। কিন্তু প্রতিবেশী দেশ ভারতে এর হার অনেক বেশি। সুতরাং প্রণোদনা দিয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আনা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। যাতে আনার পর ১৯৯৬ সালের মত সরে যেতে না পারে।

বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্য খায়রুল হোসেন বলেন, সমৃদ্ধ পুঁজিবাজারের জন্য বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা দরকার। বিনিয়োগকারীরা সচেতন না হলে কোনো সংস্কার কাজে লাগবে না।

এসময় বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান, সিএমজেএফ সভাপতি হাসান ইমাম রুবেল, ইকোনোমিক রিপোর্টাস ফোরামের (ইআরএফ) সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান ও সিএমজেএফ সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেনসহ বিএমবিএ’র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জেডএস/এএসটি

print
 

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad