৬০০ কোটির নিচে লেনদেন, সূচক কমেছে শত পয়েন্ট

ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৭ | ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

৬০০ কোটির নিচে লেনদেন, সূচক কমেছে শত পয়েন্ট

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৩:২৯ অপরাহ্ণ, মে ১৯, ২০১৭

print
৬০০ কোটির নিচে লেনদেন, সূচক কমেছে শত পয়েন্ট

লেনদেনের অব্যাহত পতনে সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক প্রায় ১০০ পয়েন্ট কমেছে। এসময় বাজারের সার্বিক লেনদেন ৭০৭ কোটি টাকা থেকে কমে ৬০০ কোটি টাকার নিচে নেমে এসেছে। ডিএসই’র সপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।

.

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইতে ৩৩৩টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১০৩টির, কমেছে ২০২টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টির। এ সময় ডিএসইতে ৮৩ কোটি ৫৯ লাখ ৭৮ হাজার ২৫৪টি শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে শেয়ার লেনদেন কমেছে ৫.৮০ শতাংশ।

গত সপ্তাহে ৫ কার্যদিবসে ডিএসইতে ২ হাজার ৯৭০ কোটি ৫০ লাখ ৫ হাজার ৩৮৭ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর আগের সপ্তাহের ৪ কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৮৩১ কোটি ২৯ লাখ ৫৫৫ টাকা। এসময় বাজারের সার্বিক লেনদেন বেড়েছে ৪.৯২ শতাংশ।

মোট লেনদেনের ৯৩.১৪ শতাংশ ‘এ’ক্যাটাগরিভুক্ত, ৩.৬৮ শতাংশ ‘বি’ক্যাটাগরিভুক্ত, ১.৯৫ শতাংশ ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত এবং ১.২৩ শতাংশ ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে লেনদেন হয়েছে।

এদিকে গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৯৬.৫৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫৩৯৯.৬৬ পয়েন্টে। গত সপ্তাহে ডিএসই`র শরিয়াহভিত্তিক কোম্পানিগুলোর মূল্য সূচক ডিএসইএস ১৮.২২ পয়েন্ট কমে ১২৫৫.১৭ পয়েন্টে ও ডিএস-৩০ সূচক ৩২.১৬ পয়েন্ট কমে ১৯৯১.৮০ পয়েন্টে স্থিতি পায়।

সপ্তাহের শুরুতে ডিএসই’র বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৭২ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা। সপ্তাহের শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ১.৩৩ শতাংশ।

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে ছিল প্রকৌশল খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইফাদ অটোস। কোম্পানিটির ১৬২ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়, যা ডিএসইর সর্বমোট লেনদেনের ৫.৪৬ শতাংশ। টার্নওভারে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ডোরিন পাওয়ার, কোম্পানিটির ১২০ কোটি ১৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। ৯৪ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মধ্য দিয়ে টার্নওভার তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে উঠে আসে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল।

এছাড়া টার্নওভার তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, আরএসআরএম স্টিল, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, ইউনাইটেড পাওয়ার, এসিআই, ন্যাশনাল ফিড মিলস ও শাহজিবাজার পাওয়ার।

জেডএস/এসবি

print
 

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad