দর পতনে ভাবলেশহীন পুঁজিবাজার
Back to Top

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২০ | ১৮ আষাঢ় ১৪২৭

দর পতনে ভাবলেশহীন পুঁজিবাজার

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৫:৩৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৬, ২০২০

দর পতনে ভাবলেশহীন পুঁজিবাজার
চলছে অব্যাহত দরপতন। প্রতিদিনের দর পতনেই নেতিবাচক নতুন রেকর্ড গড়ছে পুঁজিবাজার। সোমবারের দর পতনে সাড়ে ৬ বছর আগের অবস্থানে ফিরে গেছে পুঁজিবাজার। টানা দর পতনে ভাবলেশহীন হয়ে পড়েছে পুঁজিবাজার।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনাভাইরাসে বিশ্ব অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। যার প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতির অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করবে এমন শংকা থেকেই অব্যাহত দর পতন। এমন পরিস্থিতিতে সাময়িক সময়ের জন্য পুঁজিবাজারের লেনদেন স্থগিত করার সময় এসেছে।

সোমবার দিনশেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক কমেছে  ১৯৬.৭৫ পয়েন্ট।

দিনশেষে ডিএসইতে ৪০৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক (সিএএসপিআই) ৫৭৭.৩৮ পয়েন্ট কমেছে। দিনশেষে সিএসইতে ১৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

ডিএসই ও সিএসই’র বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সোমবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও ফান্ডগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১০টির, দর কমেছে ৩৩৩টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ১২টি প্রতিষ্ঠানের।

এসময় ডিএসইতে ১৮ কোটি ৬৮ লাখ ১২ হাজার ১৪৫টি শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

দিনশেষে ডিএসইতে ৪০৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর আগের কার্যদিবসে ডিএসইতে ৩৭৩ কোটি ৬৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল।

অর্থাৎ সূচক পতনের দিনে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৩৩ কোটি টাকা।

লেনদেন শেষে ডিএসই’র সার্বিক মূল্য সূচক ডিএসইক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৯৬.৭৫ পয়েন্ট কমেছে। এর আগে ২০১৩ সালের ২১ অক্টোবর ডিএসইর সূচক ছিল ৩৭৬৩ পয়েন্ট। অর্থাৎ ৬ বছর ৫ মাসের মধ্যে মূল্যসূচক সর্বনিম্নে।

এসময় শরীয়াহ্ ভিত্তিক কোম্পানিগুলোর মূল্যসূচক ডিএসইএস ও ডিএস-৩০ সূচক যথাক্রমে ৫২.৩৪ পয়েন্ট ও ৬৮.২০ পয়েন্ট কমেছে।

লেনদেন শেষে টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে স্কয়ার ফার্মা। কোম্পানিটির ২৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। টার্নওভার তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল মুন্নু সিরামিক, কোম্পানিটির ১৫ কোটি ২৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১১ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মধ্যে দিয়ে টার্নওভারে তৃতীয় অবস্থানে ছিল ওরিয়ন ফার্মা।

টার্নওভার তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো ব্র্যাক ব্যাংক, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্রাকো, ওরিয়ন ইনফিউশন, গ্রামীণফোন, লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ, এসকে ট্রিমস ও সিলভা ফার্মা।

এদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও ফান্ডগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২৫টির, দর কমেছে ২৩৫টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১১টির। এসময় সিএসইতে ১৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

দিনশেষে সিএসই’র সাধারণ মূল্য সূচক আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৫৭৭.৩৮ পয়েন্ট কমেছে। এসময় টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ডোরিন পাওয়ার, কোম্পানিটির ৮৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

জেডএস

 

: আরও পড়ুন

আরও