মূলধনের ১৫ হাজার কোটি টাকা হারিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা
Back to Top

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২০ | ১৮ আষাঢ় ১৪২৭

মূলধনের ১৫ হাজার কোটি টাকা হারিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৬:১১ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৩, ২০২০

মূলধনের ১৫ হাজার কোটি টাকা হারিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা
বিক্রয় চাপ ও দর পতনে সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধনের ১৫ হাজার ৩৮৪ কোটি টাকা হারিয়েছে বিনিয়োগকারীরা। এর আগের সপ্তাহেও বাজার মূলধন থেকে ৬২৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা হারিয়েছিল বিনিয়োগকারীরা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) শেয়ারহোল্ডার পরিচালক শাকিল রিজভী বলেন, করোনা আতঙ্কে সোমবার ভারত-পাকিস্তানের মত বিশ্ব পুঁজিবাজারে ধস হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারেও। যদিও পরবর্তী দুই কার্যদিবসে ঊর্ধ্বমুখী ছিল বাজার। কিন্তু সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে বাজারের মূল্যসূচক আবারো ১০০ পয়েন্ট কমায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সামগ্রিক বাজারে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ২১ হাজার ৩৬২ কোটি টাকা। যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৭৪৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ১৫ হাজার ৩৮৫ কোটি টাকা।

আগের সপ্তাহে বাজার মূলধন কমে ৬ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা। তার আগের সপ্তাহে কমে ১৬ হাজার ২৭৯ কোটি। এ হিসাবে তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন কমল ৩৭ হাজার ৯০০ কোটি টাকা।

করোনা আতঙ্কের মধ্যে বড় উত্থান-পতনে ব্যাপক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গত সপ্তাহ পার করেছে দেশের পুঁজিবাজার। গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসেই পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে।

এর মধ্যে সোমবার রেকর্ড দর পতন হয় পুঁজিবাজারে।ওই দিন ডিএসই’র সার্বিক মূল্য সূচক ডিএসইক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২৭৯.৩২ পয়েন্ট কমেছে। যা ডিএসইএক্স সূচক চালুর পরে সর্বোচ্চ ও রেকর্ড।

এদিকে, সোমবারে দর পতনে বাজারের মূলধন কমেছিল ১৭ হাজার ২৯১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। যা পরবর্তী দুই কার্যদিবসের উথানে সামান্য ফিরে পেয়েছিল বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু বৃহস্পতিবারের দর পতনে বাজার মূলধন আবারো কমেছে।

ডিএসইতে গত সপ্তাহে ৫ কার্যদিবসে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৮৮ কোটি ৫৪ লাখ ৭৫ হাজার ৯৫৮ টাকা। এর আগের সপ্তাহের ৫ কার্যদিবসে ২ হাজার ৪১০ কোটি ৭৮ লাখ ৭৫ হাজার ৮৩৩ টাকার লেনদেন হয়েছিল। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ৪০৮ কোটি টাকা বা ১৩.৩৭ শতাংশ।

লেনদেন কমার প্রভাব পড়েছে সব ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেনে। আলোচিত সময়ে ডিএসইর মোট লেনদেনে ‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ারের দখলে ছিল ৮১.১৬ শতাংশ। ‘বি’ ক্যাটাগরির শেয়ারের অংশগ্রহন ছিল ১৬.৯৪ শতাংশ।

সদ্য শুরু হওয়া নতুন কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে কমেছে। ডিএসইর মোট লেনদেনে ‘এন’ ক্যাটাগরির অংশগ্রহন ছিল ০.৬৬ শতাংশ। ডিএসইর লেনদেনে গেলো সপ্তাহে ‘জেড’ ক্যাটাগরির দখলে ছিল ১.২৪ শতাংশ।

জেডএস

 

: আরও পড়ুন

আরও