ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজের কাট-অফ প্রাইস ৩১৫ টাকা
Back to Top

ঢাকা, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২০ | ২৪ চৈত্র ১৪২৬

ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজের কাট-অফ প্রাইস ৩১৫ টাকা

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৪:২৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ০৯, ২০২০

ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজের কাট-অফ প্রাইস ৩১৫ টাকা

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়ায় থাকা ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাষ্ট্রিজের বিডিং শেষে কাট-অফ প্রাইস ৩১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে মাত্র সাড়ে ২৭ লাখের মতো শেয়ার ছাড়বে, যা কোম্পানিটির মোট শেয়ারের এক শতাংশেরও কম। ইস্যু ম্যানেজার সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের খরচ মেটাতে পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য গত ৭ জানুয়ারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজকে বিডিংয়ে অংশ নেয়ার অনুমোদন দেয়।

এ অনুমোদনের ফলে কাট-অফ প্রাইস নির্ধারণে গত ২ মার্চ বিকেল ৫টা থেকে ৫ মার্চ বিকেল ৫টা পর্যন্ত যোগ্য বিনিয়োগকারীরা বিডিংয়ে অংশ নেন। এ সময়ের মধ্যে বিডিংয়ে অংশ নেন ২৩৩ জন। এসব বিনিয়োগকারী সর্বনিম্ন ১২ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৭৬৫ টাকা করে ওয়ালেটনের শেয়ার কেনার জন্য প্রস্তাব দেন।

এর মধ্যে সব থেকে বেশি সংখ্যক যোগ্য বিনিয়োগকারী ওয়ালটনের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ২১০ টাকা দাম প্রস্তাব করেন। এই দামে ১৪ জন বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চসংখ্যক বিনিয়োগকারী দাম প্রস্তাব করেন ১৫০ টাকা করে। এ দামে ১০ জন বিনিয়োগকারী কোম্পানিটির শেয়ার কেনার আগ্রহ দেখান।

তবে বিডিংয়ে বরাদ্দ ৬০ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শেয়ারের জন্য ৩১৫ টাকার ওপরে বিডিং হয়। ফলে কাট-অফ প্রাইস হিসাবে ৩১৫ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। ৩১৫ টাকা বা তার বেশি দামে ওয়ালটনের শেয়ার কেনার আগ্রহ দেখান মাত্র ৬৭ জন যোগ্য বিনিয়োগকারী।

যোগ্য বিনিয়োগকারীদের প্রস্তাব করা দামের ফলে ওয়ালটন পুঁজিবাজারে মাত্র ২৭ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬৭টি বা দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ইস্যু করবে। এ হিসাবে পরিশোধিত মূলধন বাড়বে ২ কোটি ৭৫ লাখ ৮৬ হাজার ৬৭০ টাকার বা দশমিক ৯২ শতাংশ।

৩১৫ টকার ওপর দাম প্রস্তাব করা যোগ্য বিনিয়োগকারীরা তাদের প্রস্তাবিত দাম দিয়ে ওয়ালটনের ১৩ লাখ ৭৯ হাজার ৩৬৭টি শেয়ার কিনবেন। বাকি শেয়ার কাট-অফ প্রাইস থেকে ১০ শতাংশ কমে বা ২৮৩ টাকা করে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) ইস্যু করা হবে।

এদিকে ‘হিস্ট্রোরিকাল আর্নিংস বেজড ভ্যালু পার শেয়ার’ পদ্ধতিতেও ওয়েলটনের শেয়ার দাম তিন’শ টাকা হতে পারে না। বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে যে কোনো কোম্পানির শেয়ার দাম বিবেচনায় ‘হিস্ট্রোরিকাল আর্নিংস বেজড ভ্যালু পার শেয়ার’ পদ্ধতিকে সর্বোচ্চ বিবেচনায় নেয়া হয়। এ ক্ষেত্রে প্রথমে কোম্পানির শেষ ৫ বছরের ওয়েটেড শেয়ারপ্রতি মুনাফাকে (ইপিএস) মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ১০ দিয়ে গুণ করা হয়। এর সঙ্গে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ (এনএভিপিএস) যোগ করে ২ দিয়ে ভাগ করে এই দাম নির্ধারণ করা হয়।

ওয়ালটনের রেড হেরিং প্রসপেক্টাস অনুযায়ী, কোম্পানিটির গত ৫ বছরের ওয়েটেড ইপিএস ২৮ টাকা ৪২ পয়সা। আর এনএভিপিএস রয়েছে (পূণ:মূল্যায়নসহ) ২৪৩ টাকা ১৬ পয়সা। এ ক্ষেত্রে কোম্পানিটির ‘হিস্ট্রোরিকাল আর্নিংস বেজড ভ্যালু পার শেয়ার’ পদ্ধতিতে শেয়ার দাম মূল্যায়ন হয় ২৬৩ টাকা ৬৮ পয়সা। আর পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া ১৩৮ টাকা ৫৩ পয়সা এনএভিপিএসের ক্ষেত্রে শেয়ারের দাম হয় ২১১ টাকা ৩৬ পয়সা।

জেডএস/

 

অর্থনীতি : আরও পড়ুন

আরও