করোনা আতঙ্কে প্যানিক সেল, রেকর্ড পতন
Back to Top

ঢাকা, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২০ | ২৪ চৈত্র ১৪২৬

করোনা আতঙ্কে প্যানিক সেল, রেকর্ড পতন

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৪:২৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ০৯, ২০২০

করোনা আতঙ্কে প্যানিক সেল, রেকর্ড পতন

বিক্রয় চাপে বিগত ১৫ কার্যদিবসের ১২ কার্যদিবসেই দর পতন দেখেছে পুঁজিবাজার। যা ছিল মোটামুটি নিয়ন্ত্রিত। কিন্তু সোমবার সব বাঁধ ভেঙ্গে লেনদেন শুরুর প্রথম ৬ মিনিটে কমেছে ১০০ পয়েন্ট, পরবর্তী ৫৪ মিনিটে তা ২০৭ পয়েন্ট অতিক্রম করে। এদিকে, দিনশেষে সূচকের পতন ২৭৯ পয়েন্ট অতিক্রম করে।

নিয়মতি দর পতনের সেই আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছে করোনা আতঙ্ক এমনটাই মনে করছেন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, এখন পর্যন্ত বিশ্বের শতাধিক দেশে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলেছে। যার কারণে প্রত্যেকটি দেশেই অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সেই আতঙ্কেই প্যানিক সেল করেছে বিনিয়োগকারীরা।

জানা যায়, রোববার বাংলাদেশে প্রথমবারের মত করোনাভাইরাসে তিনজন শনাক্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। আর এই খবরেই সোমবার পুঁজিবাজারে ব্যাপক দর পতন দেখা গেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, সোমবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও ফান্ডগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২টির, দর কমেছে ৩৫২টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ১টি প্রতিষ্ঠানের। এসময় ডিএসইতে ২০ কোটি ৯৯ লাখ ২৭ হাজার ১৪৫টি শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

দিনশেষে ডিএসইতে ৪৯৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর আগের কার্যদিবসে ডিএসইতে ৪২৮ কোটি ৯২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল। অর্থাৎ দর পতনের দিনেও লেনদেন বেড়েছে পুঁজিবাজারে। যা শেয়ার বিক্রয়ের নির্দেশনা দিচ্ছে।

লেনদেন শেষে ডিএসই’র সার্বিক মূল্য সূচক ডিএসইক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২৭৯.৩২ পয়েন্ট কমেছে। যা ডিএসইএক্স সূচক চালুর পরে সর্বোচ্চ ও রেকর্ড। এসময় শরীয়াহ্ ভিত্তিক কোম্পানিগুলোর মূল্যসূচক ডিএসইএস ও ডিএস-৩০ সূচক যথাক্রমে ৬৯.৭৯ পয়েন্ট ও ৮৮.৮৯ পয়েন্ট কমেছে।

লেনদেন শেষে টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে স্কয়ার ফার্মা। কোম্পানিটির ১৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। টার্নওভার তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল গ্রামীণফোন, কোম্পানিটির ১৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১১ কোটি ৮১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মধ্যে দিয়ে টার্নওভারে তৃতীয় অবস্থানে ছিল লাফার্জ হোসসিম বাংলাদেশ।

টার্নওভার তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো সামিট পাওয়ার, সি পার্ল, ব্র্যাক ব্যাংক, ওরিয়ন ইনফিউশন, ব্যাংক এশিয়া, ভিএফএস থ্রেড ডাইং ও ওরিয়ন ফার্মা।

এদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও ফান্ডগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৪টির, দর কমেছে ২৪৮টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৪টির। এসময় সিএসইতে ৭০ কোটি ৩১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

দিনশেষে সিএসই’র সার্বিক মূল্য সূচক আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৭৬৯.৩২ পয়েন্ট কমেছে। এসময় টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্রাকো, কোম্পানিটির ৫১ কোটি ৭০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

জেডএস/

আরও পড়ুন...
করোনা আতঙ্কে পুঁজিবাজারে বড় দরপতন

 

অর্থনীতি : আরও পড়ুন

আরও