৩.৭১% সূচক বৃদ্ধির দিনে ডিএসইতে ৯১৬ কোটি টাকা লেনদেন
Back to Top

ঢাকা, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২০ | ২০ চৈত্র ১৪২৬

৩.৭১% সূচক বৃদ্ধির দিনে ডিএসইতে ৯১৬ কোটি টাকা লেনদেন

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৫:৫৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২০

৩.৭১% সূচক বৃদ্ধির দিনে ডিএসইতে ৯১৬ কোটি টাকা লেনদেন

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে তফসিলি ব্যাংককে বিশেষ তহবিল গঠনের সুযোগ দেওয়ার পর থেকে টানা চতুর্থ কার্যদিবসে সূচকের উল্লম্ফন দেখেছে বিনিয়োগকারীরা। রোববার দিনশেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ডিএসইক্স বেড়েছে ৩.৭১ শতাংশ বা ১৬৯.৫৪ পয়েন্ট। মূল্যসূচকের উল্লম্ফনে এদিন ডিএসইতে ৯১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক সিএসসিএক্স ৩২৫.৬৬ পয়েন্ট বেড়েছে। এদিন সিএসইতে ৩০ কোটি ৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। ডিএসই ও সিএসই’র বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর বাজার পর্যালোচনায় জানা যায়, রোববার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও ফান্ডগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২৯৩টির, দর কমেছে ৪০টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ২৩টি প্রতিষ্ঠানের। এসময় ডিএসইতে ৩৫ কোটি ৬০ লাখ ৩২ হাজার ৪৩১টি শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

দিনশেষে ডিএসইতে ৯১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ৭৩০ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল। অর্থাৎ দিনশেষে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ১৮৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা।

লেনদেন শেষে ডিএসই’র সার্বিক মূল্য সূচক ডিএসইক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৬৯.৫৪ পয়েন্ট বেড়েছে। ডিএসইতে ডিএসইএক্স সূচকটি ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি ৪০৫৬ পয়েন্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করে। এরপরে বিগত ৭ বছরের মধ্যে সূচকটির আজ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উত্থান হয়েছে। এর আগে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি ইতিহাসের সর্বোচ্চ অর্থাৎ ২৩২ পয়েন্ট উত্থান হয়েছিল। আর ২০১৫ সালের ১০ মে সূচকটি একদিনের ব্যবধানে তৃতীয় সর্বোচ্চ উত্থান বা ১৫৫ পয়েন্ট বেড়েছিল।

লেনদেন শেষে টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ। কোম্পানিটির ৩২ কোটি ১৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। টার্নওভার তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল খুলনা পাওয়ার, কোম্পানিটির ২৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৭ কোটি ৯৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মধ্যে দিয়ে টার্নওভারে তৃতীয় অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস।

টার্নওভার তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস, শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, ইন্দো বাংলা ফার্মা, সামিট পাওয়ার, এসএস স্টিল, সিঙ্গার বাংলাদেশ ও প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেড।

এদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও ফান্ডগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২১৪টির, দর কমেছে ৩৭টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১৭টির। এসময় সিএসইতে ৩০ কোটি ৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

দিনশেষে সিএসই’র সাধারণ মূল্য সূচক আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৩২৫.৬৬ পয়েন্ট বেড়েছে। এসময় টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে এসএস স্টিল, কোম্পানিটির ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

জেডএস

 

অর্থনীতি : আরও পড়ুন

আরও