সানাউল হকই ডিএসই’র এমডি, সিএসই’র মামুন

ঢাকা, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৯ ফাল্গুন ১৪২৬

সানাউল হকই ডিএসই’র এমডি, সিএসই’র মামুন

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৭:০৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২২, ২০২০

সানাউল হকই ডিএসই’র এমডি, সিএসই’র মামুন

ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী সানাউল হককেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসাবে নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বুধবার বিএসইসির ৭১৫তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।

এসময় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে মামুন-উর-রশিদের নিয়োগ প্রস্তাব অনুমোদন করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

এর আগে গত ০৯ জানুয়ারি ডিএসই’র পরিচালনা পর্ষদ সভায় কাজী সামিউল হককে এমডি হিসাবে নিয়োগ দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যা পরবর্তীতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব করা হয়।

সূত্র জানায়, বির্তকের মধ্যে দিয়েও ডিএসই’র এমডি হিসাবে যুক্ত হওয়ার অনুমোদন পেয়েছেন তিনি। তিনি বিডিবিএলের বিনিয়োগ বিভাগের জিএম পদে থাকাকালীন দুর্বল সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারীর শেয়ার কেলেঙ্কারীর ঘটনায় জড়ায় প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলে ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে বিডিবিএলকে শাস্তি দিয়ে চিঠি দেয় বিএসইসি। তার সময়কালীন আইসিবির মুনাফায়ও বড় ধস নামে।

কাজী সানাউল হক আইসিবির এমডি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন ২০১৭ সালের ১০ আগস্ট থেকে ২০১৯ সালের ২১ আগস্ট পর্যন্ত। তার দায়িত্ব গ্রহণের আগের অর্থবছরে (২০১৬-১৭) আইসিবির মুনাফা হয়েছিল ৪৬১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা বা শেয়ারপ্রতি ৭.২৯ টাকা। যা তার নেতৃত্বাধীন প্রথম অর্থবছরে (২০১৭-১৮) কমে আসে ৪১৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকা বা শেয়ারপ্রতি ৬.২৭ টাকায়। আর ২য় অর্থবছরে (২০১৮-১৯) রীতিমতো ধস নামে। ওই অর্থবছরে আইসিবির মুনাফা হয় মাত্র ৬০ কোটি ১৩ লাখ টাকা বা শেয়ারপ্রতি ০.৮৬ টাকা।

আইসিবির সাবেক এমডি কাজী সানাউল হককে আইসিবির অঙ্গ প্রতিষ্ঠানে ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তলব করার ঘটনাও আছে। তার দায়িত্বরত অবস্থায় ঋণ জালিয়াতির ঘটনা ঘটে। শেয়ার ব্যবসায় জড়িত যেসব লোক ঋণ পাওয়ার যোগ্য নন তাদের ঋণ দেয়া, যাকে ২৫ লাখ টাকা ঋণ দেয়ার কথা তাকে কয়েক কোটি টাকা করে ঋণ দেয়ার ঘটনা ঘটে। এসবের মাধ্যমে সরকারের ১৩৭ কোটি টাকা ক্ষতি হয় বলে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে।

উল্লেখ্য, ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা পৃথকীকরণে ডি-মিউচ্যুয়ালাইজেশন স্কিমের পর দ্বিতীয় ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে ২০১৬ সালের ২৯ জুন নিয়োগ পান কে এ এম মাজেদুর রহমান। যার মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ১১ জুলাই। তারপর থেকেই পদটি খালি রয়েছে। ডিএসইর প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) আবদুল মতিন পাটোয়ারী বর্তমানে স্টক এক্সচেঞ্জটির ভারপ্রাপ্ত এমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জেডএস/

 

অর্থনীতি : আরও পড়ুন

আরও