পুঁজিবাজার উন্নয়নে ডিএসই’র দাবি, পূরণের আশ্বাস বিএসইসির
Back to Top

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২০ | ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

পুঁজিবাজার উন্নয়নে ডিএসই’র দাবি, পূরণের আশ্বাস বিএসইসির

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১৯, ২০১৯

পুঁজিবাজার উন্নয়নে ডিএসই’র দাবি, পূরণের আশ্বাস বিএসইসির

পুঁজিবাজার উন্নয়নে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে একগুচ্ছ দাবি জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ।

বাজার উন্নয়নে ডিএসই’র প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রাইভেট প্লেসমেন্ট, বিনিয়োগ সীমা, সার্কিট ব্রেকার, লক-ইন, মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানি তালিকাভুক্ত করা ইত্যাদি।

এসব দাবিগুলো গ্রহণযোগ্য বলে জানিয়েছেন বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম খায়রুল হোসেন। যা বাস্তবায়নে আলোচনার মাধ্যমে কার্যকরি পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছেন চেয়ারম্যান।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ডিএসই কর্তৃপক্ষের এসব দাবি নিয়ে আগারগাঁওয়ে গেলে সেখানে বিএসইসির চেয়ারম্যান তার পূরণের আশ্বাস দেন।

পুঁজিবাজারের উন্নয়নে আইপিও প্রক্রিয়ায় সংস্কার সংশোধনীর বিষয়ে দাবি রাখেন ডিএসই পর্ষদ। এর মধ্যে বিশেষভাবে ভারসাম্য রাখার জন্য প্রাইভেট প্লেসমেন্টে পরিশোধিত মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শেয়ার ইস্যুর দাবি করেন ডিএসই। যেসব প্লেসমেন্ট শেয়ারে স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের শুরু থেকে ১ বছর লকইন (বিক্রি অযোগ্য) ও ৫০ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখারও দাবি রাখেন।

উদ্যোক্তা, পরিচালক ও প্লেসমেন্টহোল্ডারদের শেয়ারকে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেডে (সিডিবিএল) পৃথক ক্যাটাগরিতে রাখার জন্য দাবি করেন ডিএসই। আবার পরিচালকদের শেয়ারেও লেনদেন শুরুর দিন থেকে লক-ইন হিসাব গণনার জন্য বলা হয়।

এছাড়া উদ্যোক্তা/পরিচালদের শেয়ার বিক্রির ঘোষণার ১৫ দিন পরে তা বাস্তবায়নের সুযোগ রাখা, প্রত্যেক পরিচালকের ২ শতাংশ ও সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারন নিশ্চিত করার জোর দেন।

এদিক ক্ষুদ্র মূলধনের কোম্পানির সার্কিট ব্রেকার প্রত্যাহারের দাবি রাখেন ডিএসই। এতে এ জাতীয় কোম্পানিগুলোর শেয়ারে অস্বাভাবিক উত্থান রোধ হবে বলে জানান। এছাড়া মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানির চাহিদা পূরণে সরকারি ও বহুজাতিক বিভিন্ন কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে আনার জন্য বিএসইসিকে পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানানো হয।

ব্যাংক ও লিজিং কোম্পানির বিনিয়োগ সীমা এককভাবে বিবেচনার জন্য করণীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য বিএসইসিকে পরামর্শ দেন ডিএসই কর্তৃক্ষ। এছাড়া স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত নয় এমন বন্ড, ডিবেঞ্চার, প্রিফেনশিয়াল শেয়ার, মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগকে বিনিয়োগ সীমার বাইরে রাখার দাবি রাখেন। আর বিনিয়োগ সীমা বাজার দরের পরিবর্তে ব্যয় মূল্যকে ধরতে বলা হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির কমিশনার প্রফেসর হেলাল উদ্দিন নিজামী, ড. স্বপন কুমার বালা, কামালুজ্জান প্রমুখ।

আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ডিএসই’র চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এমএ হাশেম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক কেএএম মাজেদুর রহমান, পরিচালক শরীফ আতাউর রহমান, মিনহাজ মান্নান ইমন প্রমুখ।

জেডএস/এইচআর

 

: আরও পড়ুন

আরও