থমথমে দিল্লি, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪
Back to Top

ঢাকা, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০ | ১৫ চৈত্র ১৪২৬

থমথমে দিল্লি, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪

পরিবর্তন ডেস্ক ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২০

থমথমে দিল্লি, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪

ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) ও জাতীয় নাগরিক নিবন্ধন (এনআরসি) সংঘর্ষে দিল্লিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩০–এ দাঁড়িয়েছে। আহত দুই শতাধিক।

ভারতের নিউজ ১৮-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, থমথমে উত্তর-পূর্ব দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকা। বন্ধ বাজার, দোকানপাট। রাস্তায় লোকজনের দেখা নেই বললেই চলে। রাজধানী কার্যত দখল নিয়েছে পুলিশ ও আধাসেনা।

রোববার থেকে সিএএ-বিরোধী ও সমর্থনকারীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়। গতকাল বুধবার থেকে অশান্তি কিছুটা কমেছে। কিন্তু আতঙ্ক কাটেনি রাজধানীর। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পর থেকে কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে এসেছে উত্তর-পূর্ব দিল্লির পরিস্থিতি।

দিল্লির সহিংসতায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪। আজ বৃহস্পতিবার আরও সাতজনের মৃত্যুর খবর এসেছে।

এর আগে সোমাবর চারজন; মঙ্গলবার নয়জন ও বুধবার ১৪ জনজনের মৃত্যু হয়েছে।

উপদ্রুত চার এলাকায় কারফিউ চলছে। দেখামাত্রই গুলির নির্দেশ। বন্ধ বাজার, দোকানপাট। আতঙ্কে রাজধানী।

বুধবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, স্থানীয়রা নয়, দিল্লিতে হিংসা ছড়িয়েছে বহিরাগতরা৷

তিনি বলে, দিল্লির মানুষ হিংসা চায় না৷ আম আদমি এই কাজ করেনি৷ দিল্লির হিন্দু, মুসলিমরা শান্তির পক্ষে৷

একই সঙ্গে দিল্লি হিংসায় মৃত পুলিশকর্মী রতন লালের পরিবারকে ১ কোটি টাকা সরকারি সাহায্য ও পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরির কথাও ঘোষণা করেন তিনি৷

দিল্লির সহিংসতায় মৃতের পরিবারকে ২ লক্ষ রুপি ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। পাশাপাশি গুরুতর আহতদের ৫০ হাজার রুপি আর্থিক সহায়তা করা হবে।

উত্তরপূর্ব দিল্লিতে কারফিউ জারি থাকলেও মৃত্যুমিছিল অব্যাহত। বুধবার রাতে দিল্লির লোকনায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২ জনের মৃত্যু হয়। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪। জখম আরও অন্তত দু'শোরও বেশি। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের আঘাত গুরুতর। আহতদের মধ্যে ২২ জন গুরু ত্যাগ বাহাদুর হাসপাতাল এবং ২ জন লোক নায়ক জয়প্রকাশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বুধবার হিংসা কবলিত এলাকায় যান মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

শীর্ষ এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দিল্লি হিংসায় নিহতদের নিকট আত্মীয়কে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এ ছাড়া গুরুতর জখম ব্যক্তিদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা করবে সরকার।

তিনি আরও বলেন, হিংসায় ক্ষতিগ্রস্তদের চিহ্নিত করতে সরকারের তরফে ইতিমধ্যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। আর্থিক সহায়তার টাকা সরাসরি আহত এবং নিহতদের পরিবারের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে।

পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী আগেই ঘোষণা করেছেন, হিংসায় নিহত কনস্টেবল রতন লালার পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

এসবি

 

আন্তর্জাতিক: আরও পড়ুন

আরও