‘চল না’ নিয়ে হাবিবের সঙ্গে কিছুক্ষণ

ঢাকা, সোমবার, ২২ জানুয়ারি ২০১৮ | ৯ মাঘ ১৪২৪

‘চল না’ নিয়ে হাবিবের সঙ্গে কিছুক্ষণ

মাসুম আওয়াল ৩:৪৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ০৬, ২০১৮

print
‘চল না’ নিয়ে হাবিবের সঙ্গে কিছুক্ষণ

প্রকাশের অপেক্ষায় ফুয়াদের সঙ্গীত আয়োজনে হাবিব ওয়াহিদের নতুন গান ‘চল না’। শ্রীলঙ্কা থেকে এই গানের শুটিং করে ফিরেছেন তিনি।

আসিফ ইকবালের লেখা গানটিতে হাবিবের সঙ্গে দেখা যাবে শার্লিনাকে। চমকটি কেমন হবে? ছুটির দিনগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে করা এই গানটি নিয়ে উৎকণ্ঠা কাজ করছে শ্রোতাদের মনে।

‘চল না’ আসবে গান চিলের ব্যানারে। গানটির নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন হাবিব ওয়াহিদ। তুলে ধরা হলো আলাপের চুম্বক অংশ।

কিভাবে যুক্ত হলেন ‘চল না’ গানটির সঙ্গে? গোড়ার কথা দিয়েই শুরু হোক আলাপ-
ঠিক আছে। শুরুতেই একটি কথা না বললেই না, গানটির টোটাল আইডিয়া আসিফ ইকবাল ভাইয়ের। উনার আইডিয়া শুনলাম। তিনি বললেন- ফুয়াদ আর হাবিবের মধ্যে একটা কোলাবেরাশন করতে চান। আমি রাজি হলাম। কারণ, আমার জন্য এটা নতুন একটা জিনিস। আমার সুর ও গাওয়া কিন্তু অন্য কেউ সঙ্গীতায়াজন করেছেন এমনটা আগে কখনো হয়নি। এবারই প্রথম অন্যের সঙ্গীতে কণ্ঠ দিলাম।

কেন রাজি হলেন?
এই গানটি করার পেছনে বাড়তি খুশি কাজ করছে। কারণ অবশ্যই ফুয়াদ। প্রথম এই কাজটি ফুয়াদের সঙ্গে হওয়াটা আমার জন্য ছিল বিশেষ কিছু। ফুয়াদের সঙ্গে আমার ফ্রেন্ডশিপটা অনেক আগের। আমার প্রথম অ্যালবাম ‘কৃষ্ণ’ যখন বের হয়, ঠিক তার পরপরই বের হয় ফুয়াদের অ্যালবাম ‘রিভিউলেশন’। ওই অ্যালবাম দুটিকে সেই সময় সঙ্গীতের নতুন বাঁক হিসেবে নিয়েছেন অনেকে। একই সময়ে যেহেতু আমাদের যাত্রা শুরু। আমার দৃষ্টিতে এটা বন্ধুত্বের সেলিব্রেশন। গানটি সবার ভালো লাগবে। ফুয়াদ প্যাশনেটলি সঙ্গীতটি করেছে।

গানটির মিউজিক ভিডিও’র শুটিং করে আসলেন। শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা শুনতে চাই-
আমার তো মনে হয় না যে, মিউজিক ভিডিওর শুটিং করতে প্রতিদিন যাওয়া হয় শ্রীলঙ্কায়। এটা মনে হয়, সাহসিকতা ও প্যাশনের পরিচয় দিয়েছে গান চিল মিউজিক। আমরা যখন দেশের বাইরে শুটিং করতে যাই তখন সবার আগে ভাবি খরচের কথা। আমাদের দেশে আমরা সেভাবে এখনো গান থেকে প্রফিট পাচ্ছি না, যতটা সবখানে সাড়া ফেলে।

গানের ভালো ভিডিও নির্মাণ আসলে কিভাবে সম্ভব?
আমরা জানি, মিউজিক ভিডিও কিভাবে তৈরি হয়। যা খরচ হয় সেই অর্থে খরচ উঠে আসা কঠিন। এই মিউজিক ভিডিওতে তিনটি কোম্পানির স্পন্সর রয়েছে। এই রকমটা হলেই সম্ভব। মিউজিক ভিডিও যতদিন যাচ্ছে, তত বড় আকার ধারণ করছে। মিউজিক ভিডিও প্রকাশের প্রথম দিনেই লাখ লাখ ভিউ হয়ে যাচ্ছে। প্রচারের জায়গা থেকে এটা অনেক দূরে যাচ্ছে অলরেডি। এই রকম যদি হয়। একটা ভালো টিম ওয়ার্ক হবে, স্পন্সর আসবে তাহলে ভালো কাজও করা সম্ভব হবে।

হাবিব সব সময় নতুন গানে লুকে হাজির হন। এখানেও কি এটা পাওয়া যাবে?
মজার ব্যাপার হলো এই প্রথম একটা গান করলাম যেটা একটা স্টোরি বেজ। এতদিন যেটা হয়েছে, একটা গান তৈরি করেছি, সেটা ভিডিও নির্মাতা শুনেছেন, তারপর গল্প ভেবে ভিডিও হয়েছে। এই গানটার ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে তা হলো— আসিফ ভাই বললেন একটা হলি ডে সং তৈরি করবেন। আমি বললাম— ভাই, আমাকে দিয়ে তো শুধু হলিডে গান হবে না, এটার মধ্যে কিছু রোমান্টিক এলিমেন্ট থাকতে হবে। এখন দেখা যায় প্রায়ই হলিডে ট্যুর হয়। প্যাকেজ ট্যুর এর একটা প্রচলন হয়ে গেছে। একটা ট্যুরে গেলে যেটা হয় বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ আসে সবার সঙ্গে সবার পরিচয় হয়। ওখান থেকে একটা কিছু স্টার্ট হওয়া। ছেলেটাও সেখানে যায় মেয়েটাও সেখানে যায়। তারপর বাকিটা গানে দেখা যাবে। সব মিলিয়ে হলিডের ফিলটা পাবেন দর্শক শ্রোতারা।

আলোচনার শেষের দিকে আমরা। গানের কো-আর্টিস্ট সম্পর্কে কিছু বলুন—
শার্লিনার সঙ্গে এটা আমার দ্বিতীয় কাজ। ওর সঙ্গে প্রথম কাজ ছিল ‘মনের ঠিকানা’। এটা আমার প্রথম এক কোটি ভিউয়ের গান। ওর সাথে আমার স্ক্রিন প্রেজেন্টটা মানুষের পছন্দ হয়েছে। এই গানটির জন্যও সে পারফেক্ট ছিল।

এএ/আইএম

print
 
.

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad