পারিশ্রমিকের অঙ্ক দেখে চমকে যান বারী সিদ্দিকী

ঢাকা, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ | ১ পৌষ ১৪২৪

পারিশ্রমিকের অঙ্ক দেখে চমকে যান বারী সিদ্দিকী

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২৪, ২০১৭

print
পারিশ্রমিকের অঙ্ক দেখে চমকে যান বারী সিদ্দিকী

১৯৯৯ সালে জেনেভায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব বাঁশি সম্মেলনে ভারতীয় উপমহাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বারী সিদ্দিকী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ৪৫ মিনিট বাঁশি বাজিয়েছিলেন তিনি। ওই সময়ের কিছু ঘটনা বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) এক অনুষ্ঠানে বর্ণনা করেছিলেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পারিশ্রমিকের অঙ্ক দেখে চমকে যাওয়া।

.

অনুষ্ঠান শেষে রাতে যখন পারিশ্রমিকের কাগজে সাক্ষর করতে বলা হয়, বারী সিদ্দিকী ও তার স্ত্রী বিব্রত হন এই ভেবে কোথাও কোনো ভুল হচ্ছে। মাত্র ৪৫ মিনিটের অনুষ্ঠানের জন্য তাকে দেওয়া হয়েছিল আট লাখ সাতাশি হাজার টাকা!

তার স্ত্রী বলেও বসেন- আয়োজকদের ডেকে বলতে তাদের কোথাও ভুল হয়েছে, তিনি এত টাকা পাওয়ার যোগ্য নন!

বারী সিদ্দিকীর মতে, আয়োজকদের ভুল হওয়ার কথা না। পরদিন তার জন্য নিযুক্ত দোভাষীকে জিজ্ঞাসা করেন, আমার পারিশ্রমিকের অঙ্ক, স্বাক্ষর সব ঠিক আছে তো? দোভাষী জানান, সবকিছু ঠিক আছে।

বারী সিদ্দিকী আরো জানান, তাকে থাকতে দেওয়া হয়েছিল হোটেলের সেই রুমটায় যেখানে বিখ্যাত ভারতীয় বংশী বাদক পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া জেনেভায় গিয়ে নিয়মিত থাকতেন।

১৯৫৪ সালের ১৫ নভেম্বর নেত্রকোণায় জন্মগ্রহণ করেন বারী সিদ্দিকী। মাত্র ১২ বছর বয়সেই নেত্রকোণার শিল্পী ওস্তাদ গোপাল দত্তের অধীনে তার আনুষ্ঠানিক তালিম শুরু হয়। তিনি ওস্তাদ আমিনুর রহমান, দবির খান, পান্নালাল ঘোষসহ অসংখ্য গুণীশিল্পীর সরাসরি সান্নিধ্য লাভ করেন।

‘শুয়া চান পাখি’, ‘আমার গায়ে যত দুঃখ সয়’, ‘সাড়ে তিন হাত কবর’, ‘তুমি থাকো কারাগারে’, ‘রজনী’ প্রভৃতি গানের জন্য ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন বারী সিদ্দিকী।

রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মারা যান বারী সিদ্দিকী। ১৭ নভেম্বর থেকে ওই হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি।

ডব্লিউএস

শেষবার নেত্রকোণার পথে
হুমায়ূনের জোরাজুরিতে বাধ্য হন বারী সিদ্দিকী
বাউলবাড়িতে সমাহিত হবেন বারী সিদ্দিকী
বারী সিদ্দিকী আর নেই

print
 

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad