নীলফামারী জেলা আ’লীগের সম্মেলন বৃহস্পতিবার

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২০ | ১৪ মাঘ ১৪২৬

নীলফামারী জেলা আ’লীগের সম্মেলন বৃহস্পতিবার

নীলফামারী প্রতিনিধি ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৪, ২০১৯

নীলফামারী জেলা আ’লীগের সম্মেলন বৃহস্পতিবার

দলীয় প্রতিক ‘নৌকা মঞ্চে’ এবারের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে নীলফামারী জেলা আওয়ামী লীগের। আগামীকাল বৃহস্পতিবার শহরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে দীর্ঘ ১৩ বছর পর এই সম্মেলন হবে।  

সম্মেলনের জন্য ইতোমধ্যে প্রস্তুত হচ্ছে প্রাঙ্গণ। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে স্থাপন করা হয়েছে ব্যানার-ফেস্টুন আর বিলবোর্ড। প্রতিদিন সন্ধ্যায় প্রচার মিছিল হচ্ছে বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে।

সম্মেলন ঘিরে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ এবং চৌরঙ্গি মোড়ে অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীদের উপস্থিতি যেন মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে। মঞ্চ দেখতে আসছেন উপজেলা নেতারাও।

সম্মেলনের মাধ্যমে দল আরো গতিশীল, শক্তিশালী এবং যোগ্য ত্যাগী ও বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত কর্মীদের মূল্যায়ন হবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন তৃণমুল নেতারা।

দলীয় সূত্র জানায়, সম্মেলন উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন এমপি।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও প্রধান বক্তা হিসেবে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বক্তব্য দেবেন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নুর ও বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক উপস্থিত থাকবেন।

২০০৬ সালের এপ্রিলে সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে নীলফামারী পৌরসভার মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সদর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজুল হক নির্বাচিত হন।

পরে ২০১২ সালের জানুয়ারিতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেন দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তবে এবারের সম্মেলনে সভাপতি হিসেবে কারো নাম না আসলেও সাধারণ সম্পাদক পদে এসেছে দু’জনের। এদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুজ্জামান কামরুল।

তারা দু’জনই ছাত্রলীগের প্রাক্তন নেতা ছিলেন। মিজানুর রহমান ৯০ দশকে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কামরুল ১৯৯২-১৯৯৭ সাল পর্যন্ত জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মিজানুর রহমান বলেন, প্রবীণ এবং নবীণের সমন্বয়ে দল পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছেন নেত্রী। সেক্ষেত্রে আমরা যারা ছাত্রলীগ করেছি এবং মনে প্রাণে দলের সাথে রয়েছি আমরা মূল্যায়ন চাই।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের প্রাক্তন নেতারা দলের শীর্ষ পদে আসীন হতে পারছে না। এবারের সম্মেলনে এটি হবে আমি আশা করি।

জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন মুন বলেন, দীর্ঘদিন সম্মেলন না হওয়ায় দায়িত্বে আসতে পারেননি অনেকে। কারণ আওয়ামী লীগ বড় একটি দল। নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা রয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দক্ষ নেতৃত্বের কারণে আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ এবং সুদৃঢ় হয়েছে। এবারের সম্মেলনের মাধ্যমেও দলের দায়িত্ব তাদের হাতেই ন্যস্ত হবে বলে আমি আশা করি।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নীলফামারী পৌরসভার মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বড় এবং গণতান্ত্রিক দল। প্রার্থী যে কেউ হতে পারেন। এক্ষেত্রে কাউন্সিলরগণ সিদ্ধান্ত নেয়ার মালিক।

দল পরিচালনার মূল্যায়ন তিনি সবপর্যায়ের নেতা কর্মীদের উপর ছেড়ে দিয়ে বলেন, কাউন্সিলরগণ যদি আমাকে না চান তাহলে একজন কর্মী হিসেবে আওয়ামী লীগের সাথে থাকবো।

এসবি

 

রংপুর: আরও পড়ুন

আরও