মাদক ব্যবসায়ীরা অস্ত্রও ব্যবহার করছেন: নীলফামারী এসপি

ঢাকা, রবিবার, ২৪ জুন ২০১৮ | ১০ আষাঢ় ১৪২৫

মাদক ব্যবসায়ীরা অস্ত্রও ব্যবহার করছেন: নীলফামারী এসপি

নীলফামারী প্রতিনিধি ৯:৫৫ অপরাহ্ণ, মে ২২, ২০১৮

print
মাদক ব্যবসায়ীরা অস্ত্রও ব্যবহার করছেন: নীলফামারী এসপি

মাদক ব্যবসায়ীরা এখন অস্ত্রও ব্যবহার করছেন বলে জানিয়েছেন নীলফামারী জেলার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন।

তিনি বলেন, তারা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে মাদক বিকিকিনির স্পটে অস্ত্রসহ অবস্থান করে। অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে সোমবার মধ্যরাতের বন্দুকযুদ্ধে।

নীলফামারীর সৈয়দপুরে বন্দুকযুদ্ধে নিহতরা মাদক ব্যবসায়ীদের গুলিতে প্রাণ হারান বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে এসব কথা বলেন আশরাফ হোসেন।

সৈয়দপুর থানা সূত্র জানায়, সোমবার সন্ধ্যায় মাদকসহ আটক হন সৈয়দপুর শহরের ইসলামবাগ চিনি মসজিদ এলাকার আব্দুল হান্নানের ছেলে শাহিন হোসেন (২৮) ও কারিগরি কলেজ সংলগ্ন নিচু কলোনি এলাকার পকেটমার ইউসুফের ছেলে জনি আহমেদ (২৩)।

জিজ্ঞাসাবাদে তারা সৈয়দপুর গোলাহাট বধ্যভূমি এলাকায় মাটির নিচে মাদক লুকিয়ে রাখা রয়েছে বলে পুলিশকে জানায়। আটকরা সৈয়দপুরের জসিয়ার রহমান ও নুর বাবুর নেতৃত্বে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।

রাতে পুলিশের সৈয়দপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অশোক কুমার পালের  নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হলে সেখানে আগে থেকে ওঁৎপেতে থাকা মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। পুলিশও পাল্টা জবাব দিলে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। সে সময় পালিয়ে যায় আটক জনি ও শাহিন। পরে ঘটনাস্থল থেকে তাদের গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে চিকিৎসক মোস্তফা কামাল তাদের মৃত বলে ঘোষণা দেন।

বন্দুকযুদ্ধে আব্দুল ওয়াদুদ, মোকারক হোসেন, রাশেদুল ইসলাম নামে পুলিশের তিনজন সদস্য আহত হন। তারা সৈয়দপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অশোক কুমার পাল বলেন, মাদকের হোতা কামারপুকুর ইউনিয়নের জোবায়দুল হকের ছেলে জসিয়ার রহমান (৩০) ও বোতলাগাড়ি ইউনিয়নের পূর্ব বোতলাগাড়ি গ্রামের বাফাজ উদ্দিনের ছেলে নুর বাবু (৩৩) ও তার সঙ্গীরা বন্দুকযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। সৈয়দপুরে মাদক ও মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় মূল হোতা তারা।

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ীদের একটি মোটরসাইকেল, ৪/৫টি দেশীয় অস্ত্র, ৩টি ককটেল ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মাদক ছাড়াও অস্ত্র আইনে মামলা করা হবে। তাদের গ্রেফতারে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হবে বলে জানান এসপি।

এনএ/এএল/

 
.




আলোচিত সংবাদ