রংপুরে খাদেম রহমত হত্যা মামলায় ম্যাজিস্ট্রেটসহ ৫জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | ৮ ফাল্গুন ১৪২৪

রংপুরে খাদেম রহমত হত্যা মামলায় ম্যাজিস্ট্রেটসহ ৫জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ

রংপুর অফিস ১:৩৯ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৮

print
রংপুরে খাদেম রহমত হত্যা মামলায় ম্যাজিস্ট্রেটসহ ৫জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর এলাকায় জেএমবি কিলিং মিশনের হাতে নিহত চাঞ্চল্যকর আওয়ামী লীগ নেতা পল্লী চিকিৎসক ও মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় এক ম্যজিষ্ট্রেটসহ ৫ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করেছে রংপুর স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার।

মঙ্গলবার সকালে রংপুর জজ আদালতের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবুসোনা জানান, কঠোর নিরাপত্তায় অভিযুক্ত জেএমবি সদস্য এছাহাক আলী, লিটন মিয়া, আবু সাঈদ, সাখাওয়াত হোসেন, তৌফিকুল ইসলাম, সাদাত ওরফে রতন, সরোয়ার হোসেন ওরফে সাবু ও জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজিবসহ ১৩ জনকে বিশেষ জজ আদালতে হাজির করা হয়।

এরপর আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার ৫ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এরা হলেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট শফিউল আলম, সহকারি পুলিশ সুপার এবিএম জাহিদুল ইসলাম, এসআই দিনেশ চন্দ্র বর্মন, ফজলুল হক ও এএসআই  আব্দুর রাজ্জাক। এনিয়ে ৩৮ জনের  সাক্ষ্য গ্রহন হয়েছে।

উল্লেখ্য ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাত সাড়ে ১১টায় কাউনিয়ার টেপামধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড়ে নিজের ওষুধের দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুবৃত্ত্বরা গলা কেটে হত্যা করে পল্লী চিকিৎসক রহমত আলীকে। এ ঘটনায় তার পুত্র অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম বাদি হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় গ্রেফতার হওয়া কাউনিয়া উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা আব্দুস ছাত্তারের পুত্র মোরশেদুল ইসলাম ও ভাতিজা শহিদুল ইসলামসহ অন্যাদের অব্যাহতি দেয় আদালত।

রহমত আলীর বাড়িতে শাহ আবদুস সাত্তার নামে এক পীরের মাজার ছিলো। সেখানে প্রতি বছর ২১ নভেম্বর ওরশ হতো। রহমত আলী ওই মাজারটি দেখাশোনা করতেন।

এর আগে গত বছর ২৩ আগস্ট একই আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেন। ১৬ আগস্ট একই আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করে। গত ১১ জুলাই রংপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক কামরুজ্জামানের আদালতে ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেছিলেন কাউনিয়া থানার পুলিশ তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ।

এদের মধ্যে জেএমবি সদস্য বাইক হাসান ও সাদ্দাম হোসেন পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছে। বাকী ১২ জনের মধ্যে ৯ জঙ্গি গ্রেফতার হওয়ার পর কারাগারে রয়েছে।

এসভি/এফবি/আরজি

 
.

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad