রংপুরের সেনাকুঞ্জে জমে উঠেছে হস্ত ও কুটির শিল্প মেলা

ঢাকা, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৪

রংপুরের সেনাকুঞ্জে জমে উঠেছে হস্ত ও কুটির শিল্প মেলা

রংপুর প্রতিনিধি ৬:৫৬ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০১৮

print
রংপুরের সেনাকুঞ্জে জমে উঠেছে হস্ত ও কুটির শিল্প মেলা

রংপুরের সেনাকুঞ্জ মাঠে আয়োজিত বস্ত্র, হস্ত ও কুটির শিল্প মেলায় দিন দিন দর্শনার্থীদের ভীড়ে বাড়ছে। মেলায় দর্শনার্থীরা সহজেই তাদের হাতের নাগালের মধ্যে পাচ্ছেন পছন্দ সই জিনিস ক্রয় করতে পারছেন। গ্রামীণ ঐতিহ্যের হস্ত ও কুটির শিল্পকে প্রাধান্য দিয়ে দেশি পণ্যের চাহিদা বাড়ানোর লক্ষ্যে গত বছরের ডিসেম্বরের ২২ তারিখ থেকে এই মেলা উদ্বোধন করা হয়। মেলায় রকমারি স্টল আর শিশুদের বিনোদনসহ বিভিন্ন খেলার আয়োজন সহজেই আকৃষ্ট করছে দর্শনার্থীদের।

সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণে মেলার স্টলগুলোতে গার্মেন্টস, ব্লেজার, বুটিকস, হস্তশিল্প, ক্রোকারিজ, শিশুদের খেলনাজাত পন্য, চামড়াজাত পন্য, খাবার দোকান, জামদানি-টাঙ্গাইল শাড়ি স্টল নজর কাড়ছে। ৫৭ টি স্টল রয়েছে এই মেলায়। এছাড়াও শিশুদের বিনোদনের জন্য নগরদোলা, ট্রেন, নৌকাসহ বিভিন্ন স্থাপনাও রয়েছে।

মেলা আয়োজক কমিটি জানান, দুপুর পেড়িয়ে বিকেল গড়ালেই মানুষের চাপ আরো বেড়ে যায়। পরিবারকে সাথে নিয়ে কেউবা ঘুরতে আবার কেউবা কেনাকাটা করতেও আসছেন মেলায়। দেশীয় পণ্যের প্রাধান্য থাকায় সাধারণ মানুষের আকর্ষণ ছিল অনেক বেশি যা পুরো মেলাজুড়েই লক্ষ্যণীয় বলে জানান তারা।

এদিকে মেলায় কথা হয় নগরীর শাপলা চত্ত্বর থেকে আসা রোজিনা রোজ, মারুফা আকতার, মাসুমা আকতার, তামপাটের নুর নাহার মুক্তা, সেলিম মিয়া, গঙ্গাচড়ার সালমা বেগমের। এই দর্শনার্থীরা বলেন, রংপুরে সাধারণত ঘোরাঘুরি করার মত বা তেমন বড় কোন স্থাপনা নেই। তাই সুযোগ পেয়েই ঘুরতে আসছি স্বামীসহ। একটু বিনোদনের পাশাপাশি কেনাকাটাও করছি।


কথা হয় কারমাইকেল কলেজে অনার্স পড়ুয়া জেসমিন ইসরাত জুই ও সাবিহা তাবাসসুম শাম্মির সাথে। তারা বন্ধুরা মিলে ঘুরতে এসেছেন। রংপুরে আগামীতে এরকম আয়োজন আরও বেশি হওয়া দরকার বলে জানান তারা।

নিত্যপণ্যের দোকাদার শফিক বলেন, প্রত্যেকবারের তুলনায় এবারের ব্যবসা অনেক ভালো চলছে। শীত বেশি হলে উপস্থিতি একটু কমে যায়।
মেলার আয়োজক প্রিন্স ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এর চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম আঙ্গুর বলেন, রংপুরের সাধারণ মানুষকে দেশীয় পন্যের সাধ দেওয়া সহ আনন্দ বিনোদন ও রিফ্রেশমেন্ট দেওয়ার জন্যই এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় রংপুরবাসী তাদের পরিবারের সাথে এসে ঘুরে বিনোদনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে পারছে। পাশাপাশি কয়েক’শো মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। মেলা সুশৃঙ্খল ভাবে চালিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি সকলের সহযোগীতা চেয়ে সবাইকে মেলায় এসে ঘুরে দেখার আমন্ত্রণ জানান তিনি। তিনি আরও জানান-মেলার সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য পুরো মেলাজুড়ে ১৬টি ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বসানো হয়েছে।

এসভি/এএস

 
.

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad