শবে কদর নিয়ে প্রশ্নের জবাব

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭ | ৫ কার্তিক ১৪২৪

শবে কদর নিয়ে প্রশ্নের জবাব

পরিবর্তন ডেস্ক ১:১১ অপরাহ্ণ, জুন ১৮, ২০১৭

print
শবে কদর নিয়ে প্রশ্নের জবাব

প্রশ্ন : শবে কদরে কোন আমল শরীয়তে রয়েছে?
উত্তর : শবে কদরে রাত জেগে নফল নামাজ, জিকির, কুরআন তিলাওয়াত, দরুদ শরীফ, তওবা-ইস্তিগফার, দুয়া ইত্যাদি নেক আমলের কথা শরীয়তে পাওয়া যায়।

 

প্রশ্ন : অনেকে শবে কদরে মাগরিবের আগে গোসল করাকে অনেকেই সওয়াবের কাজ মনে করে। উক্ত রাতে গোসলের হুকুম কী?
উত্তর : গোসল করা আপনার প্রয়োজন হলে যেকোনো সময় করতে পারবেন। হোক তা শবে কদরে বা অন্য কোনো সময়। তবে শবে কদরে সওয়াবের আশায় গোসল করা বিদ’আত। কেননা ইসলামের কোথাও শবে কদরে গোসলের বিধান নেই।

প্রশ্ন : শবে কদরের নামাজ কত রাকাত?
উত্তর : শবে কদরের কোথাও নির্দিষ্ট সংখ্যা যেমন : ১২, ১৪ রাকাত নামাজ আদায়ের কথা কুরআন-সুন্নাহের কোথাও উল্লেখ নেই। আপনি যত রাকাত সম্ভব তত রাকাত বেশি পড়ার চেষ্টা করবেন। তবে অধিক রাকাতের চেয়ে লম্বা করে কম রাকাত পড়া ভাল।

প্রশ্ন : শবে কদরে নির্দিষ্ট সংখ্যায় নির্দিষ্ট কোনো সূরা পড়লে কি বিশেষ কোনো ফজিলত লাভ হবে?
উত্তর : না, নির্দিষ্ট সংখ্যায় নামাজ, এতে কোনো নির্দিষ্ট সূরা এতবার পড়লে বিশেষ কোনো ফজিলতের কথা কুরআন সুন্নাহের কোথাও বিদ্যমান নেই। তাই এতে বিশেষ কোনো ফজিলতও নেই।

প্রশ্ন : শবে কদর কী রমজানের ২৭ তারিখেই হয়?
উত্তর : শবে কদর রমজানের ২৭ তারিখেই হয় তা নিশ্চিতরূপে বলা যাবে না। অসংখ্য সহীত হাদিসে রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাত্রিগুলোতে শবে কদরের তালাশ করার জন্য বলা হয়েছে। তাই ২৭ তারিখ রাতের যে গুরুত্ব বাকি বেজোড় রাতগুলোর সমান গুরুত্ব দিয়ে তালাশ করতে হবে।

প্রশ্ন : হাদিস শরিফে রমজান মাসের শেষ দশকে শবে কদর তালাশের হুকুম এসেছে। এরপরও সবসময় প্রতিবছর রমজানের ২৭ তারিখেই এটি পালন করা হয় এবং এ রাতেই কুরআন খতম করা শরীয়তের দৃষ্টিতে হুকুম কী?
উত্তর : হাদিস শরিফে রমজান মাসের শেষ দশকে শবে কদর তালাশ করার হুকুম এসেছে। কিন্তু বহু উলামায়ে কেরামগণ বিভিন্ন আলামতের কারণে ২৭ তারিখ রাত্রিকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তাই আমাদের দেশে সম্ভাবনাকে সঠিক ভেবেই এমনটা করা হয়। অন্যদিকে রমজান মাসে কুরআন খতম দেওয়া মুস্তাহাব। তবে সবসময় একই দিনকে অগ্রাধিকার দিয়ে খতম করা ভুল। তাই রমজানের অন্য দিনগুলোতেও খতম করা উচিত।

print
 

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad