তাড়াশের উন্নয়ন মেলায় আসেননি প্রধান পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ এপ্রিল ২০১৮ | ৬ বৈশাখ ১৪২৫

তাড়াশের উন্নয়ন মেলায় আসেননি প্রধান পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা

তাড়াশ(সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি ৫:৩৮ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪, ২০১৮

print
তাড়াশের উন্নয়ন মেলায় আসেননি প্রধান পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে তিনদিনব্যাপী উন্নয়ন মেলা শুরু হয়েছে। এতে সরকারের অন্যান্য বিভাগের মতো স্বাস্থ্য বিভাগেরও একটি স্টল আছে। তবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এহিয়া কামাল মেলায় আসছেন না। এমন কি তিনি গত তিনদিন অফিসও করেননি।বৃহস্পতিবার প্রথম দিন মেলার স্টলে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. সজিব রায় একাই সামলিয়েছেন স্টল ও হাসপাতালের রোগী। এতে অফিস পাড়ায় ব্যাপক আলোচনা- সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

জানা গেছে, তাড়াশ উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ভেঙে পড়েছে। ১৭ জন চিকিৎসক পদের বিপরীতে মাত্র তিনজন চিকিৎসক রয়েছে এখানে। এই তিনজনের উপরেই উপজেলার প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নির্ভরশীল।

সারাদেশের ন্যায় গত বৃহস্পতিবার উপজেলা প্রসাশনের আয়োজনে তিনদিনব্যাপী উন্নয়ন মেলা শুরু হয়েছে। এতে ২৭টি স্টলে সরকারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন প্রর্দশিত হচ্ছে এবং সব বিভাগের কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে দর্শনার্থীদের বিভিন্ন জানার বিষয় বুঝিয়ে দিচ্ছেন। এতে জমে উঠেছে মেলার স্টলগুলো। কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের স্টলে একমাত্র চিকিৎসক ডা.সজিব রায় ছাড়া আর কেউ নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অপর চিকিৎসক ডা. শিমুল তালুকদার ও ডা.সজিব রায় ছাড়া হাসপালে কোন চিকিৎসক নেই। অপর দিকে শুক্রবার ডা.সজিব রায় স্বাস্থ্য বিষয়ক কিছু উপকরণ নিয়ে ছুটছেন মেলা স্থলে। গত তিন দিনে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কর্মকর্তা এহিয়া কামাল অফিসেই আসেননি। এমনকি উন্নয়ন মেলার বিষয়ে তার বিভাগের কোন প্রস্তুতি ও ছিল না। শুধুমাত্র ডা. সজিব তড়িঘড়ি করে মেলার স্টলটি সাজালেও সেখানে প্রতিষ্ঠানের প্রধান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এহিয়া কামাল কোন দায়িত্বই পালন করেননি।

অভিযোগ রয়েছে, তিনি দায়িত্ব পালনে চরম উদাসীন। এতে উপজেলার স্বাস্থ্যসেবা ভেঙে পড়েছে এবং উন্নয়ন মেলার স্টলে স্বাস্থ্য বিভাগের করুন হাল বিরাজ করছে।

এব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এহিয়া কামাল বলেন, আমি ছুটিতে আছি। এর বেশী কিছু আর না বলেই ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন তিনি। তবে সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. কাজী শামিম হোসেন বলেন, বিষয়টি তিনি জেনে ব্যবস্থা নেবেন।

এআইআর/এমএ/এএস

 
.




আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad