মাহফুজের অনুসারী ছিল ‘অপারেশন ঈগল হান্ট’ এ নিহত জঙ্গি আবু

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৭ | ৮ কার্তিক ১৪২৪

মাহফুজের অনুসারী ছিল ‘অপারেশন ঈগল হান্ট’ এ নিহত জঙ্গি আবু

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ১:০২ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১৩, ২০১৭

print
মাহফুজের অনুসারী ছিল ‘অপারেশন ঈগল হান্ট’ এ নিহত জঙ্গি আবু

হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার অন্যতম পরিকল্পনা ও গ্রেনেড সরবরাহকারী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘অপারেশন ঈগল হান্ট’ এ চার জঙ্গি নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি সোহেল মাহফুজ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। শনিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম (‘খ’ অঞ্চল শিবগঞ্জ-আমলী) বিচারক শহিদুল ইসলাম ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেন।

 

শিবগঞ্জের জঙ্গি বাড়িতে অপারেশন ‘ঈগল হান্টে’ নিহত আবুল কালাম ওরফে আবু তার অনুসারি ছিল বলে স্বিকার করে নব্য জেএমবির উত্তরাঞ্চলের প্রধান সমন্বয়ক হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার অন্যতম এই পরিকল্পনাকারী সোহেল মাহফুজ।

‘অপারেশন ঈগল হান্ট’ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শিবগঞ্জ থানার ওসি হাবিবুল ইসলাম হাবিব সোহেল মাহফুজের দেওয়া জবানবন্দীর বরাত দিয়ে জানান, অপারেশন ‘ঈগল হান্টে’ নিহতরা সবাই জঙ্গি নেতা সোহেল মাহফুজের অনুসারী ছিল। তারা সোহেল মাহফুজের দেয়া নির্দেশ বাস্তবায়ন করতো। এছাড়া আবুসহ নিহত অন্য তিনজনও নিয়মিত বৈঠকে মিলিত হয়ে সদস্য সংগ্রহসহ বিভিন্ন রকমের পরিকল্পনা করতো। জবানবন্দী গ্রহণ শেষে সোহেলকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গত ৭ জুলাই গভীর রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৌডালা সড়কের পাশের একটি আমবাগানে গোপন বৈঠক করার সময় নব্য জেএমবি নেতা সোহেল মাহফুজসহ (৩৫) জেএমবি’র আরো তিন সদস্যকে গ্রেফতার করে পুলিশের একটি বিশেষ দল। ওই দিনই কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট সোহেল ফাহফুজকে ঢাকা নিয়ে আসে এবং হলি আর্টিজান মামলায় আদালতে নেন। গত ২৬ ও ২৭ এপ্রিল চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের শিবনগর ত্রিমোহনী এলাকার একটি বাড়িতে পুলিশের বিশেষায়িত দল সোয়াত, কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও জেলা পুলিশের যৌথ অভিযান ‘অপারেশন ঈগল হান্ট’ পরিচালিত হয়। এতে ওই জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে মারা যায় জঙ্গি আবু সহ চার জন। আহতাবস্থায় উদ্ধার ও গ্রেফতার করা হয় আবু’র স্ত্রী সুমাইয়াকে।

এআরএন/এসআই

print
 

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad