আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের ডিজিটাল অ্যাপস উদ্বোধন

ঢাকা, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৮ ফাল্গুন ১৪২৬

আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের ডিজিটাল অ্যাপস উদ্বোধন

নাটোর প্রতিনিধি ১:৫৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০২০

আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের ডিজিটাল অ্যাপস উদ্বোধন

নাটোরে আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের উপকারভোগীদের লেনদেনে ডিজিটাল অ্যাপস উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পভূক্ত জনগোষ্ঠির আর্থিক লেনদেনকে সহজসাধ্য করতে মোবাইল অ্যাপস ‘পল্লী লেনদেন’ এর উদ্বোধন করেন।

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একযোগে সারাদেশের সাথে যুক্ত হয় নাটোরের সিংড়া উপজেলা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিংড়ায় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, নাটোরের জেলা প্রশাসক মোঃ শাহরিয়াজ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আকরামুল হোসাইন, সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন বানু এবং আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের উপকারভোগীবৃন্দ।

ভিশন-২০২১, ভিশন-২০৪১ এবং স্বপ্ন সোপান এই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগ নামে ব্রান্ডিং করা দশটি উদ্যোগের মধ্যে সর্বশীর্ষে আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্প। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য-অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে তহবিল গঠন ও পারিবারিক খামারের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়ন।

এই প্রকল্পে গঠিত সমিতির প্রত্যেক সদস্য মাসে দুইশত টাকা সঞ্চয় জমা দিলে এর বিপরীতে সরকার সমপরিমান বোনাস দেওয়া হয়। একই সাথে সরকার বাৎসরিক দেড় লাখ টাকার আবর্তক তহবিল প্রদান করে। এভাবে দুই বছরে সমিতির তহবিল প্রায় নয় লাখ টাকায় উন্নীত হয় এবং তহবিলের মালিকানা স্থায়ীভাবে সমিতির সদস্যদের। সদস্যরা সমিতি থেকে ঋণ নিয়ে আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে বিনিয়োগ করেন। নিয়মিত উঠান বৈঠক করে সাপ্তাহিক কিস্তিতে নয় বরং সুবিধাজনক সময়ে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করেন সদস্যরা। বেশী পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন হলে সমিতি থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত মাত্র পাঁচ শতাংশ সার্ভিস চার্জে ঋণ নেয়া যায়। ইউনিয়নের ওয়ার্ড বা গ্রাম পর্যায়ে ৪০ জন মহিলা এবং ২০ জন পুরুষকে নিয়ে এই সমিতি গঠন করা হয়।

আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্প নাটোর জেলা সমন্বয়কারীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২৫ জানুয়ারি ২০২০ পর্যন্ত জেলায় মোট এক হাজার ৫৬টি সমিতি গঠন করা হয়েছে। এসব সমিতির ৩৭ হাজার ৩৬৯ জন সদস্য প্রায় ১১ কোটি  টাকার সঞ্চয় জমা করেছেন। এই সঞ্চয়ের বিপরীতে সরকার সদস্য এবং সমিতি পর্যায়ে প্রায় ১১ কোটি টাকা অনুদান অর্থাৎ বোনাস প্রদান করেছে। সকল সমিতির  সদস্যদের চাহিদা অনুযায়ী মোট ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ৪৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

বিএল/এএসটি

 

সমগ্রবাংলা: আরও পড়ুন

আরও