যৌতুক দাবিতে স্ত্রী নির্যাতন করে কারাগারে এসআই
Back to Top

ঢাকা, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০ | ১৫ চৈত্র ১৪২৬

যৌতুক দাবিতে স্ত্রী নির্যাতন করে কারাগারে এসআই

পাবনা প্রতিনিধি ৬:০০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪, ২০২০

যৌতুক দাবিতে স্ত্রী নির্যাতন করে কারাগারে এসআই

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার এসআই নাছির আহম্মেদ (৩৩)-কে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ওলিউল ইসলাম সোমবার তাকে জেলহাজতে পাঠান।

মামলা সূত্রে জানা যায়, পাবনা শহরের কাচারীপাড়া মহল্লার মোস্তাক আহম্মেদের ছেলে পুলিশের এসআই নাছির আহমেদের সঙ্গে সদর উপজেলার আশুতোষপুর, বলরামপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে রুবিনা আক্তার রুনার সঙ্গে ২০১২ সালের ২১ ডিসেম্বর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন যৌতুকের জন্য বিভিন্নভাবে রুনাকে চাপ দিত। এমনকি কয়েকবার শারীরিকভাবে মারপিটও করে।

সকল নির্যাতন সহ্য করে স্বামীর ঘর করতে থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালের ২২ মার্চ নাছির আহম্মেদের আগের কর্মস্থল রাজশাহী জেলার বোয়ালিয়া থানাধীন মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি থেকে স্ত্রী রুনাকে সকাল ৯টার দিকে পাবনা কাচারীপাড়াস্থ নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। একই দিন সকাল ১০টায় তার কাছে ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। যৌতুক দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে স্বামী নাছির আহম্মেদ বাবা-মা এবং বোনকে নিয়ে যৌথভাবে রুনাকে বেদম মারপিট করে।

খবর পেয়ে রুনার বাবা সাইফুল ইসলাম তার বাড়িতে আসেন। এ সময় রুনার স্বামী নাছির শশুড়বাড়ি এসে রুনার বাবার সামনেই রুনাকে পুনরায় মারপিট করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। গুরুতর জখম অবস্থায় মেয়েকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে আপস মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে রুনার বাবা সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে নাছির আহম্মেদসহ তার বাবা-মা এবং বোনকে আসামি করে একটি মামলা (নং ১৮৯/২০১৯) করেন। মামলায় নাছির আহম্মেদ গং এর বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হয়।

সোমবার বিকেলে অভিযুক্ত নাছির আহম্মেদ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠান।

এইচআর

 

সমগ্রবাংলা: আরও পড়ুন

আরও