ফসলি জমিতে যত্রতত্র পুকুর খনন, কমেছে সরিষা আবাদ

ঢাকা, সোমবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২০ | ১৪ মাঘ ১৪২৬

ফসলি জমিতে যত্রতত্র পুকুর খনন, কমেছে সরিষা আবাদ

আশরাফুল ইসলাম রনি, তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি ৩:২৬ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৮, ২০১৯

ফসলি জমিতে যত্রতত্র পুকুর খনন, কমেছে সরিষা আবাদ

যত্রতত্র কৃষি জমিতে পুকুর খনন করার ফলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় এ বছর সিরাজগঞ্জের তাড়াশে সরিষা আবাদ অনেকটা হ্রাস পেয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, তিন ফসলি জমিগুলোতে অধিক মুনাফার লোভে অনেকেই পুকুর খনন করছেন।

ফলে পানি প্রবাহের পথগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মাঠের মধ্য জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। তাই সঠিক সময়ে বর্ষার পানি নামতে পারায় সরিষা আবাদ করতে পারছেন না কৃষকরা।

স্থানীয় কৃষকেরা জানান, চলনবিল তথা এ অঞ্চলের উৎপাদিত সরিষা এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের জাতীয় খাতে ব্যাপক ভূমিকার রাখে। কিন্তু প্রতিবছর যে হারে পুকুর খনন হচ্ছে। এর ফলে আবাদী জমি যেমন নষ্ট হচ্ছে তেমনি করে ইরি-বোরো ধানসহ রবি শস্যগুলো দিনে দিনে আবাদ কমে যাচ্ছে।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ লুৎফুন্নাহার লুনা জানান, গত বছরে তাড়াশ উপজেলায় সরিষা আবাদে লক্ষমাত্রা ছিল সাড়ে পাঁচ হাজার হেক্টর জমিতে। এদিকে, চলতি বছরে লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে পাঁচ হাজার চারশত হেক্টর।কিন্তু পর্যন্ত আবাদ করা হয়েছে চারহাজার পাঁচশত হেক্টর জমিতে। গত বছরের তুলনা প্রায় একহাজার হেক্টর কম আবাদ হয়েছে।

তিনি আরো জানান, যে হারের পুকুর খনন চলছে। পুকুর খনন যদি না থামানো যায় আর পানি নিষ্কাশনে ব্যবস্থা না করা হয়। তাহলে আগামী সরিষার আবাদ আরো কমে যাবে।

স্থানীয় কৃষক আব্দুল মজিদ, জসমত আলী, জাকির হোসেনসহ অনেকেই জানান, বিগত বছরের অক্টোবর মাসে জমির জো থাকায় এই সময়ে চলনবিল এলাকা জুড়ে সরিষার ক্ষেত হলুদ ফুলে একাকার হয়ে যেত। কিন্তু অন্য বছরের তুলনায় এ বছর চলনবিলের পানি নামতে দেরি হওয়ায় ও জলাবদ্ধতার কারণে কৃষকেরা সরিষার বীজ বোপন করতে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে। তাই গত বছরের তুলনায় এ বছর সরিষার আবাদ অনেক কম হয়েছে।

এআইআর/জেডএস

 

রাজশাহী: আরও পড়ুন

আরও