টাঙ্গাইলে গভীর রাত পর্যন্ত ঈদের কেনাকাটা  

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৭ | ৯ ভাদ্র ১৪২৪

টাঙ্গাইলে গভীর রাত পর্যন্ত ঈদের কেনাকাটা  

আব্দুল্লাহ আল নোমান, টাঙ্গাইল ১২:০৮ অপরাহ্ণ, জুন ১৮, ২০১৭

print
টাঙ্গাইলে গভীর রাত পর্যন্ত ঈদের কেনাকাটা  

ঈদে ছোট বড় সবারই চাই নতুন পোশাক। ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে মার্কেটগুলো। ঈদ উপলক্ষে প্রতিটি মার্কেট ও বিপণী সেজেছে বর্ণিল সাজে। টাঙ্গাইল শহরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে একই চিত্র।

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে আনন্দময় করে উদযাপন করতে বিপণী বিতানগুলোকে আলোকসজ্জিত করা হয়েছে। বরাবরের মতো এবারও পোশাকের দোকানগুলোতেই বেশি ভিড়। বিপণীবিতানগুলো বাহারি ডিজাইনের দেশি ব্র্যান্ডের পোশাকে সেজেছে। গরমে ভয়েল সুতি কাপড়কে প্রাধান্য দিয়ে দেশীয় ব্র্যান্ডগুলো ডিজাইনেও এনেছে নতুনত্ব। মার্কেটগুলোতে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে বেচা-কেনা।

সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের বেশ ভিড়। তবে শিশু এবং নারীদের ভিড় বেশি লক্ষ করা গেছে। বিক্রেতাদের যেন দম ফেলার সময় নেই।

ঈদ উপলক্ষে মেয়েদের জন্য রয়েছে শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, থ্রি পিস, ফোর পিস, কসমেটিকস, গয়না এবং পুরুষদের জন্য শার্ট-প্যান্ট, পাঞ্জাবি-পায়জামা, লুঙ্গি, গেঞ্জি, জিন্স, জুতা-স্যান্ডেল।

মেয়েদের সালোয়ার কামিজ বিক্রি হচ্ছে ১৫’শ টাকা থেকে ১২ হাজার টাকায়। শাড়ির দাম ৫’শ টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকা। শাড়ির মধ্যে রয়েছ- তাঁত, হাফ সিল্ক, মসলিন, অ্যান্ডি কটন, অ্যান্ডি সিল্ক, জামদানি, পিওর সিল্ক ও জুট কাতান ইত্যাদি। পাশাপাশি রয়েছে ভারতীয় শাড়ি। মেয়েদের থ্রি পিস ৭’শ টাকা থেকে শুরু করে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

ছেলেদের শার্ট পাওয়া যাচ্ছে ৩’শ টাকা থেকে ৪ হাজার টাকায়। প্যান্ট বিক্রি হচ্ছে ৫’শ টাকা থেকে ৬ হাজার টাকা। পাঞ্জাবি বিক্রি হচ্ছে ৬’শ টাকা থেকে ৭ হাজার টাকা। গেঞ্জি পাওয়া যাচ্ছে ৪’শ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকায়।

বরাবরের মতো এ বছরও শিশুদের জন্য বিশাল সমাহার ঘটিয়েছে শপিংমলগুলো। বিপণীগুলোতে হাতের কাজ করা ছোটদের জন্য বাহারি রং ও ডিজাইনের পোশাক সাজিয়ে রাখা হয়েছে।

এবার ঈদে বড়দের পাশাপাশি ছোটদের জন্যও এসেছে মাসাক্কালি, ঝিলিক, হাসি, খুশি পুতুল, পাড়ি, চাক্কি, পার্টিফ্রক, টাইস ও টপস, দুইপার্টের আনারকলি, চাকলী চামেলীনামের গর্জিয়াস পোশাক। এসব বাহারি নাম তাদের বেশ আকৃষ্ট করেছে।

হীরা সুপার মার্কেটে কথা হয় সোহেল রানা নামে এক ক্রেতার সঙ্গে। এবার পোশাকের দাম বেশি বলে তিনি অভিযোগ করেন।

সাদিয়া আক্তার নামে আরেকজন বলেন, এবার ঈদে পোশাকের আইটেম, ডিজাইন একটু ব্যতিক্রম। তবে গলাকাটা দাম হাঁকানো হচ্ছে।

সমবায় মার্কেটের দোকানদার কাওছার পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, এবার বেচা-কেনা ভালোই হচ্ছে। রোজার ১৫ দিন যাওয়ার পর থেকে মার্কেটে ভিড় বেশি হচ্ছে।

দামের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, দামতো বেশি হবেই। আমাদের দোকানের ভাড়া বাড়ছে, শ্রমিকদের বেতন বাড়ছে, অন্য খরচও বেড়েছে। তাই পণ্যের দামও বেড়েছে।

এএএন/বিএইচ/এসবি 

print
 
nilsagor ad

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad