জমে উঠেছে গোপালগঞ্জ ঈদ বাজার

ঢাকা, রবিবার, ২৫ জুন ২০১৭ | ১১ আষাঢ় ১৪২৪

জমে উঠেছে গোপালগঞ্জ ঈদ বাজার

মোজাম্মেল হোসেন মুন্না ২:১৯ অপরাহ্ণ, জুন ১৬, ২০১৭

print
জমে উঠেছে গোপালগঞ্জ ঈদ বাজার

এবার যেন একটু আগে ভাগেই ঈদের বাজারে ক্রেতা আসতে শুরু করেছে গোপালগঞ্জের ঈদ বাজারে। বাজারে নানা ডিজাইনের পোষাক থাকলেও মূলতঃ ভারতীয় ও চাইনিজ পোষাকই বাজার দখল করে রেখেছে। তবে দেশীয় সুতি কাপড়ের কদর কমেনি এখানকার ঈদ বাজারে।

ঈদের দিন যতই এগিয়ে আসছে মফস্বলের ছোট্ট জেলা শহর গোপালগঞ্জের ঈদ বাজার ততই জমে উঠছে।বাজারে ভীড় বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে থান কাপড় ও গামের্ন্টসের দোকান গুলোতে উপচেপড়া ভীড় লেগে থাকছে।

দোকানীরা জানালেন বেচাকেনা খারাপ না। আগামীতে আবহাওয়ার অবস্থা ভালো থাকলে তারা ভালো ব্যবসা করতে পারবেন। তবে অতি সম্প্রতি শহরের বিভিন্ন সড়কে চলছে পৌরসভার উন্নয়ন কাজ। এ উন্নয়ন কাজ ঈদ বাজার করতে আসা লোকজনের ভোগান্তি বাড়িয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানালেন ঈদের পরে ব্যবসায়ীক এলাকায় খুড়াখুড়ির কাজ করলে ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের সুবিধা হতো।

পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সবাই ছুটছেন ঈদ বাজারের দিকে। খুব বেশি ভীড় বেড়ে যাবার আগেই অনেকে তাদের কেনাকাটা শেষ করছেন। গরমের কথা বিবেচনা করে অনেকেই দেশি সুতি থ্রি-পিস ও শাড়ি কিনছেন। দামের দিক থেকে কিছুটা সাশ্রয় আর আরাম দায়ক হওয়ায় এসব ক্রেতার প্রথম পছন্দই হলো দেশি সুতি ড্রেস।

এদিকে, ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। আর তাই গোপালগঞ্জের দর্জিপাড়া এখন সরগরম। কারো ফুরসত নাই। দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন দর্জি শ্রমিকরা। কাষ্টমারের কাছ থেকে নেওয়া অর্ডার সময়মত ডেলিভারী দিতে মরিয়া হয়ে কাজ করছেন তারা। কোনো কোনো টেইলার্স ২-১ দিনের মধ্যে অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দেবেন এমনটি জানিয়েছেন।

১০ রোজার পর থেকে মূলত: গোপালগঞ্জের ঈদের বাজার জমতে শুরু করে। এখন রাস্তা দিয়ে হাটাই দায়। ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। চাহিদা মাফিক জামা-কাপড় ও জুতা-স্যান্ডেল কিনতে ক্রেতারা এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ভীড় করছেন।

বিশেষ করে যারা সিট কাপড়ের দোকান থেকে কাপড় কিনে দর্জির কাছে তৈরি করতে দেবেন তাদের আনাগোনাই এখন বেশি। আগে ভাগে কাপড় কিনে না দিতে পারলে সময়মত তা ডেলিভারী পাবেন না, এই আশংকায় অনেকটা ছুটোছুটি।

পছন্দের কাপড়টি কিনে ভালো দর্জিবাড়ি তা তৈরি করতে দিতে হবে এজন্য শহরের ক্রেতা সকাল-সন্ধ্যা ঈদের বাজারে যাচ্ছেন। দিন যত যাচ্ছে দর্জিশ্রমিকদের কাজের চাপও তাই বেড়ে যাচ্ছে।

দর্জি শ্রমিকরা জানান, গত বছরের থেকে এবার তাদের কাজের চাপ বেশি। তারা দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন। যে কোনো ভাবে সময়মত লোকজনকে পোষাক তেরি করে তা ডেলিভারী দিতে হবে।

ধনী বা দরিদ্র যেই হোক না কেন সবাই এখন ঈদ বাজার মুখি। ঈদে স্বজনদের জন্য নতুন জামা-কাপড় কিনতে ঈদ বাজারে ভীড় করছেন সবাই। আর তাই বাজারগুলোও জমে উঠেছে।

মোজাম্মেল হোসেন মুন্না, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

ইসি/

print
 

আলোচিত সংবাদ