চলতি অধিবেশনে অল্প কথায় জাতিসংঘের কাছে বিনীত আবেদন

ঢাকা, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

চলতি অধিবেশনে অল্প কথায় জাতিসংঘের কাছে বিনীত আবেদন

পরিবর্তন ডেস্ক ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৭

print
চলতি অধিবেশনে অল্প কথায় জাতিসংঘের কাছে বিনীত আবেদন

আমরা চোখ মেললেই দেখি সমকালীন বিশ্বে বিভিন্ন রাষ্ট্র ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টির নোংরা ও নিকৃষ্ট খেলায় লিপ্ত, বিশেষ করে ঢালাওভাবে মুসলিম বিদ্বেষ ও সাম্প্রদায়িকতার কুৎসিত শিকার থেকে শিশু-নারীরাও রেহাই পাচ্ছে না! শুধু তাই নয় মুসলিম, খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধপ্রধান দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা উচ্ছিষ্টের মত নিপীড়িত, অত্যাচারিত ও নিগৃহীত হচ্ছে। তাছাড়া যুগ যুগ ধরে ইহুদিদের আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে।

.

বাংলাদেশের সুযোগ্য প্রধানমন্ত্রী সরকার প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল ধর্মাবলম্বীদের সহাবস্থান, সমতা, সম-অধিকার, সাম্প্রদায়িকতার শিকার সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা প্রদানে কর্তব্য পালনে আন্তরিকতা তাদের প্রতি হ্রদয় নিঃসৃত মায়া-মমতা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের মর্যাদা সমুন্নত করেছে। সেই সাথে শেখ হাসিনাকে নিয়ে আমাদের গর্ব করার পথ অধিকতর বিকশিত করেছে।

বিভিন্ন রাষ্ট্র সংখ্যালঘুদের দাবিয়ে রাখছে এবং সুবিধাবঞ্চিত সংখ্যালঘুর অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্রের ভূমিকা বৈষম্য ও অসন্তোষে ভরপুর। অথচ বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে আরো সুবিধা দাবি করছে, যা বিশ্বে অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

সংশ্লিষ্ট দেশের সরকার প্রধান ও রাষ্ট্রপ্রধানদের উচিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মানবতাবাদী শেখ হাসিনার রাষ্ট্রনীতি অনুকরণ করা।

বিবেক জলাঞ্জলি দিয়ে নানান ছুঁতা ধরে ঘৃণ্য সংকট সৃষ্টিকারী লুণ্ঠনকারী ও তাদের ভাগীদার গায়ে পড়ে যুদ্ধে জড়ানো মারণাস্ত্র ব্যবসায়ী রাষ্ট্রগুলোর আস্ফালন দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। যুদ্ধ নামক হত্যাযজ্ঞে ও মানবতা নির্মূলে এরা মত্ত।

বিশ্বশান্তির পক্ষে ওআইসি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংগঠনের নিরঙ্কুশ ঐক্যবদ্ধ জোরালো ভূমিকা প্রয়োজন। জাতিসংঘে এই অপশক্তিগুলোর প্রতিরোধে বিশ্ব নেতাদের সম্মিলিত আওয়াজ দেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

জাতিসংঘের কাছে চাওয়া-
১. বিশ্বের বুক থেকে শ্রেণী, বর্ণ বৈষম্য, গণতন্ত্রহীনতা ও মূল্যবোধের অবক্ষয় নির্মূল করা।
২. রোহিঙ্গাসহ সকল শরণার্থীদের নিজ নিজ মাতৃভূমিতে মর্যাদা সহ ফিরিয়ে নিতে সময়সীমা নির্ধারণ করে কঠোর মনোভাব প্রকাশ ও তাদের সুরক্ষায় নিরাপদ আবাসস্থল গড়ে তোলা।
৩. বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে দারিদ্র্য সীমার নীচে বসবাসকারীদের জন্য কল্যাণমুখী প্রকল্প গ্রহণ করা।
৪. সংখ্যালঘুদের অবর্ণনীয় দুঃখ দূর করে তাদের অধিকার রক্ষা করা।
৫. সুদান, পূর্ব তৈমুরের মত আরাকানে ভূমিকা রাখা ও শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন করা।
৬. মিয়ানমারের ওপর সামরিক ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা।
৭. রাষ্ট্রের প্রতিনিধিকে সাধারণ পরিষদে ধ্বংসাত্মক কথা বলার সুযোগ না দেয়া।

আলহাজ্ব মোশতাক আহমেদ রুহী
নবম জাতীয় সংসদের সদস্য
সাবেক ভিপি - আমোকসু

লেখকদের উন্মুক্ত প্লাটফর্ম হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে মুক্তকথা বিভাগটি। পরিবর্তনের সম্পাদকীয় নীতি এ লেখাগুলোতে সরাসরি প্রতিফলিত হয় না।
print
 

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad