১২৬ রান করলেই ফাইনালে রাজশাহী

ঢাকা, শনিবার, ২২ জুলাই ২০১৭ | ৭ শ্রাবণ ১৪২৪

১২৬ রান করলেই ফাইনালে রাজশাহী

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৭:৪২ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৭, ২০১৬

print
১২৬ রান করলেই ফাইনালে রাজশাহী

দুদলের জন্যই এটি দ্বিতীয় সুযোগ। তবে পার্থক্য কেবল রাজশাহী কিংস এলিমিনেটরে জিতে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের টিকিট পেয়েছে, আর খুলনা টাইটান্স প্রথম কোয়ালিফায়ারে হেরে। কিন্তু বুধবারের পর আর কোনো সুযোগ অপেক্ষা করছে না হারা দলটির জন্য। তবে জেতা দলটি পৌঁছে যাবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চতুর্থ আসরের স্বপ্নের ফাইনালে। অঘোষিত সেমিফাইনাল হয়ে ওঠা এমন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে রাজশাহীকে মাত্র ১২৬ রানের লক্ষ্যই দিতে পেরেছে মাহমুদউল্লাহর দল।

মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বিপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৫ রান তুলেছে খুলনা টাইটান্স। আরিফুল হকের অপরাজিত ৩২, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ২২ ও নিকোলাস পুরানের ২২ রানে এই সংগ্রহ দাঁড় করায় দলটি।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে এদিন তৃতীয় ওভারেই জোড়া ধাক্কা খায় খুলনা। ওভারের প্রথম বলে ১ রানে থাকা হাসানুজ্জামানকে রান আউটে সাজঘরে ফেরান নুরুল হাসান। পরে তৃতীয় বলে আব্দুল মজিদকেও (১১) রান আউটেই ক্রিজ ছাড়া করেন মেহেদি হাসান মিরাজ।

সেখান থেকে চতুর্থ ওভারে শুভাগত হোমকে (৪) সাজঘরে ফিরিয়ে খুলনার বিপদ বাড়ান ফরহাদ রেজা। এরপর দারুণ খেলতে থাকা নিকোলাস পুরানকে (২২) ফরহাদের ক্যাচ বানিয়ে সেই বিপদটা আরো বাড়ান আফিফ হোসেন ধ্রুব। ফেরার আগে অবশ্য ২টি করে চার-ছয়ে ১০ বলে ইনিংস সাজিয়ে বড় কিছুর ইঙ্গিতই দিচ্ছিলেন পুরান।

পরে বেনি হাওয়েলকে নিয়ে ২২ রানের জুটিতে প্রতিরোধের চেষ্টা করেছিলেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু প্যাটেলের বলে ১২ রানে থাকা হাওয়েল স্যামির হাতে ক্যাচ দিলে সেটিও থেমে যায়।

বেশিক্ষণ টেকেননি আশার ভেলা হয়ে থাকা মাহমুদউল্লাহও। চাপের মাঝে টি-টুয়েন্টির সঙ্গে বেমানান গতিতে রান তুলতে থাকা তার প্রতিরোধের দেয়ালটি ভেঙে যায় ২২ রানেই। প্যাটেলের বলে ক্যাচ দেওয়ার আগে ২ চারে ২৮ বলে এই রান তুলেছেন টাইটান্স অধিনায়ক।

পরের দিকে বলার মতো অবদান রাখতে পারেননি কেভন কুপার (৪), নাঈম ইসলাম জুনিয়র (০), মোশাররফ হোসেনরা (৪)। সকলেই ব্যর্থ হয়ে ফিরেছেন।

এরপরও সংগ্রহটা যে একটা ভদ্রস্থ জায়গায় গেল সেটির পেছনে অবদান আরিফুল হকের। এই অলরাউন্ডার ২ চার ও ১ ছয়ে ২৯ বলে ৩২ রানে অপরাজিত ছিলেন। শেষ উইকেট জুটিতে জুনাইদ খানকে (১*) নিয়ে ২৩ রান যোগ করেছেন আরিফুল।

রাজশাহীর হয়ে বল হাতে বিধ্বংসী ছিলেন সামিত প্যাটেল। ৪ ওভারে ১৯ রানে ৩টি উইকেট তুলে নিয়েছেন তিনি। এছাড়া কেসরিক উইলিয়ামস, ফরহাদ রেজা, আফিফ হোসেন ধ্রুব ও ড্যারেন স্যামির ঝুলিতে গেছে একটি করে উইকেট।

এমএইচ/এটি

print
 

আলোচিত সংবাদ