বিচারক সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ : আদেশ মুলতবি

ঢাকা, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ৫ আশ্বিন ১৪২৪

বিচারক সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ : আদেশ মুলতবি

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১:১৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২২, ২০১৬

print
বিচারক সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ : আদেশ মুলতবি

উচ্চ আদালতের বিচারকদের নিয়োগ সংক্রান্ত সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ এবং অধস্তন আদালতের বিচারকদের বদলি, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের আদেশ মুলতবি (স্ট্যান্ড ওভার) করা হয়েছে।

বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার বিষয়টি মুলতবি রাখেন।

সোমবার এ বিষয়ের উপর শুনানি নিয়ে আদালত আদেশের দিন মঙ্গলবার ধার্য রাখেন।

গত ৩ নভেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি দায়ের করেন আইনজীবী ইউনূছ আলী আকন্দ।

রিট আবেদনে আইন সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্পিকার ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিষ্ট্রার জেনারেলকে বিবাদী করা হয়।

বর্তমান সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) ও শৃঙ্খলাবিধান রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত থাকবে এবং সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তা প্রযুক্ত হবে।

সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,

১. প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারপতিগণ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।

২. কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং- ক. সুপ্রিম কোর্টে অন্যূন ১০ বৎসরকাল অ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা খ. বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন ১০ বৎসরকাল কোনো বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা

গ. সুপ্রিম কোর্টের বিচারক পদে নিয়োগ লাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য যোগ্যতা না থাকিলে; তিনি বিচারক পদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

সম্প্রতি বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের ৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা এক বাণীতে বলেছিলেন, ‘সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ বিচার বিভাগের ধীরগতির অন্যতম কারণ। ১১৬ অনুচ্ছেদের ফলে অধস্তন আদালতের বিচারকদের পদোন্নতি, বদলি ও শৃঙ্খলামূলক কার্যক্রম সুপ্রিম কোর্টের পক্ষে এককভাবে গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘দ্বৈত শাসনের ফলে বহু জেলার শূন্যপদে সময়মতো বিচারক নিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে বিচারকার্যে বিঘ্ন ঘটে এবং বিচারপ্রার্থী জনগণের ভোগান্তি বেড়েছে।’

এ কারণে তিনি ১৯৭২ সালের সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদটি পুনঃপ্রত্যাবর্তন হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন।

এএল/ডব্লিউএন

print
 
nilsagor ad

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad