নীরবতা ভাঙার কারিগররা পেলেন ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’

ঢাকা, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ | ১ পৌষ ১৪২৪

নীরবতা ভাঙার কারিগররা পেলেন ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’

পরিবর্তন ডেস্ক ১১:১৮ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৭

print
নীরবতা ভাঙার কারিগররা পেলেন ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’

যৌন নিপীড়ন ও হয়রানির বিরুদ্ধে সোচ্চার নারীদের টাইম ম্যাগাজিন এবার ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ ঘোষণা করেছে। ম্যাগাজিনটির দৃষ্টিতে #মি টু হ্যাশটাগ ব্যবহার করে এসব নারীরা নীরবতা ভেঙে আন্দোলনকে বৈশ্বিক রূপ দিয়েছেন। খবর: বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান।

.


মাস দু’য়েক আগে হলিউডের প্রযোজক হার্ভি ওয়াইনস্টিনের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠে। এরপর টুইটারে #মি টু ব্যবহার করে নিপীড়কদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন অনেকে।

হলিউড-বলিউড থেকে শুরু করে সেলিব্রেটিরা বিভিন্ন সময়ে তাদের প্রতি করা যৌন নিপীড়ন নিয়ে অকপটে স্বীকারোক্তি দেন। এতে নিপীড়কদের মুখোশ উন্মোচিত হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এটি ব্যাপকহারে সামাজিক আন্দোলনে রূপ নেয়।

কিন্তু, টাইম ম্যাগাজিন বলছে, এই হ্যাশট্যাগ পরিস্থিতির অংশমাত্র, গোটা চিত্র নয়।

টাইম ম্যাগাজিনের প্রধান সম্পাদক এডওয়ার্ড ফেলসেনথাল বলেছেন, ‘এটাই কয়েক দশকে আমাদের দেখা সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া সামাজিক পরিবর্তন।’

এনবিসি’র টুডে প্রোগ্রামে তিনি বলেন, ‘শত শত নারীর ব্যক্তিগত সাহসী পদক্ষেপ থেকে এই আন্দোলনের সূচনা। কিছু পুরুষও পরে এতে যোগ দেন, যারা নিজেদের কথা প্রকাশ করেছেন।’

এ বছর ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’র তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বছর তিনি এই খেতাব পেয়েছিলেন।

বছরের প্রভাব বিস্তারকারী ঘটনাপ্রবাহে যার ভূমিকা- তিনি ভালো বা খারাপ যাই হোক না কেন- তাকে ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ খেতাব দিয়ে আসছে টাইম ম্যাগাজিন।

১৯২৭ সাল থেকে অধিকাংশ সময় ব্যক্তি এই খেতাব পেয়েছেন। অবশ্য এবারের মতো ব্যতিক্রমও রয়েছে। ২০১৪ সালে ইবোলার বিরুদ্ধে লড়াইকারী এবং ২০১১ সালে আরব বসন্তের বিক্ষোভকারীদের এই স্বীকৃতি দিয়েছিল ম্যাগাজিনটি।

আইএম

print
 

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad