ধীরে ঘুরছে পৃথিবী: ভূমিকম্পের পূর্বাভাষ

ঢাকা, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ | ১ পৌষ ১৪২৪

ধীরে ঘুরছে পৃথিবী: ভূমিকম্পের পূর্বাভাষ

পরিবর্তন ডেস্ক ৫:৪৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২০, ২০১৭

print
ধীরে ঘুরছে পৃথিবী: ভূমিকম্পের পূর্বাভাষ

সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা হার কাঁপানো তথ্য দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন পৃথিবীর আহ্নিক গতি ক্রমেই কমছে। আর এভাবে চলতে থাকলে পৃথিবীতে দেখা দেবে ভয়ানক বিপর্যয়। বিজ্ঞানীরা এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী বছরটি আমাদের জন্য হবে মারাত্মক। তাদের হিসেবে ২০১৮ সালে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা দেবে ভয়াবহ ভূমিকম্প। ভূগর্ভস্থ টেকটনিক প্লেটের বিচ্যূতিই হবে এর মূল কারণ। যার পেছনে রয়েছে পৃথিবীর আহ্নিক গতির অস্বাভাবিকতা!

.

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দি গার্ডিয়ান এবং এক্সপ্রেস ইউকে’র প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌরমণ্ডলে একটি নির্দিষ্ট গতিতে সূর্যের চারপাশে অন্য গ্রহের সঙ্গে পৃথিবীও ঘুরছে। কিন্ত গ্রহগুলির এই নির্দিষ্ট গতি যদি পাল্টে যায় তবে পরিণতি হবে মারাত্মক। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, এর ফল যে কি ভয়াবহ হবে তা কল্পনাও করা সম্ভব নয়৷ জোরালো ভূমিকম্পে পুরো পৃথিবীই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে৷

অনেক দিন ধরেই বিজ্ঞানীরা এই বিষয়ে গবেষণা করছিলেন। জলবায়ুর বিরূপ পরিবর্তন নিয়ে শুরু হওয়া গবেষণায় উঠে আসে অন্য তথ্য। যার ভয়াবহতায় স্তম্ভিত হয়েছেন বিজ্ঞানীরাই।

যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই গবেষক রজার বিলহাম এবং রেবেকা বেনডিক সম্প্রতি জানিয়েছেন, কক্ষপথে পৃথিবীর আহ্নিক গতি ক্রমেই কমছে। যার জেরে আগামী বছর পৃথিবী ভয়াবহ ভূমিকম্পের সম্মুখীন হতে চলেছে।

তারা ১৯০০ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া ভূমিকম্প নিয়ে গবেষণা করেন৷ সেসব তথ্য পর্যবেক্ষণ করে তারা বলছেন, প্রতি ৩২ বছর পরপর বিশ্বজুড়ে ভূমিকম্পের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। সেইসঙ্গে বাড়ছে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রাও৷

তাদের আরও দাবি, প্রতি ৫ বছরে একটু একটু করে কমছে কক্ষপথে পৃথিবীর ঘুর্ণনের গতি৷ আর এই গতি কমে যাওয়ার ফলে তা আঘাত করবে গ্রহের ম্যাগনেটিক ফিল্ডের উপর! যার ফলে দিন রাতের ব্যবধানের মধ্যেও পার্থক্য দেখা দেবে৷

তারা জানিয়েছেন, গত চার বছর ধরে পৃথিবীর গতি মারাত্মক হারে কমেছে৷ যার জেরে আগামী বছর ভূমিকম্পের পরিমাণও অনেকাংশে বেড়ে যাবে। বছরে কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০টি ভয়াবহ ভূমিকম্প হবে৷

তাদের দাবি, সেসব ভূমিকম্পের রিখটার স্কেলে মাত্রা থাকবে ৭ এর বেশি। অবশ্য ভূমিকম্পের উৎস্যস্থল সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য তারা দেননি। শুধু জানিয়েছেন, জনবহুল অঞ্চলে এসব ভূমিকম্পে প্রচুর প্রাণহানি হবে।

কেবিএ

print
 

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad