রসগোল্লার স্বত্ব পেল পশ্চিমবঙ্গ

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭ | ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

রসগোল্লার স্বত্ব পেল পশ্চিমবঙ্গ

পরিবর্তন ডেস্ক ৮:০৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৪, ২০১৭

print
রসগোল্লার স্বত্ব পেল পশ্চিমবঙ্গ

গত দু’বছর ধরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা রাজ্যের মধ্যে রসগোল্লার স্বত্ব নিয়ে লড়াই চলছিল। অবশেষে ওড়িশাকে বাদ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গকে দেয়া হলো রসগোল্লার স্বত্ব।

.

জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন বা জিআই স্বত্ব দেয়ার প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, রসগোল্লা পশ্চিমবঙ্গের নিজস্ব। সেটি কোনভাবেই ওড়িশার নয়।

গত ২০১৫ সালের জুন মাসে ওড়িশা প্রথমবার রসগোল্লার স্বত্ব দাবি করে আবেদন করে। এর প্রেক্ষিতে পশ্চিমবঙ্গ পাল্টা রসগোল্লার জিআই দাবি করে পাল্টা আবেদন করে। দু’বছরের তথ্য-প্রমাণের লড়াইয়ের পর অবশেষে পশ্চিমবঙ্গকে এর স্বত্ব দেয়া হল।

পশ্চিমবঙ্গের নিজস্ব পাঁচ উৎপাদনের ‘জিআই’ ট্যাগ পেতে আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য সরকার। প্রথম চারটি অর্থাৎ সীতাভোগ, মিহিদানা, তুলাইপাঞ্জি ও গোবিন্দভোগ চাল নিয়ে সমস্যা খুব একটা কখনোই ছিল না। ঝামেলা ছিল রসগোল্লাকে নিয়ে।

রসগোল্লা নিজস্ব বলে দাবি করে ওড়িশা। তাদের দাবি ছিল, পুরীর মন্দিরে রসগোল্লা মিষ্টিই নাকি জগন্নাথদেবকে ভোগ দেওয়া হত। এই যুক্তিতে রসগোল্লা নামের স্বত্ব দাবি করে তারা। রসগোল্লা দিবস পালনও শুরু করে ওড়িশা।

এই দাবি উড়িয়ে দেয় পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যের দাবি ছিল, রসগোল্লা একেবারেই পশ্চিমবঙ্গের সৃষ্টি। জগন্নাথকে যে মিষ্টি ভোগ দেওয়া হয় তার সঙ্গে রসগোল্লার কোনো সম্পর্ক নেই।

ওড়িশা সরকার যাকে রসগোল্লা বলে দাবি করেছে, তার স্থানীয় নাম ক্ষীরমোহন। উপকরণ সুজি, ক্ষীর ও গুড়। মূলত পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে ভোগ হিসাবে দেওয়া হয়ে থাকে। অন্যদিকে বাংলার রসগোল্লা মূল উপাদান ছানা ও চিনির রস।

এনিয়ে ২০১৫ সালের পর থেকে দফায় দফায় জিআই-এর কর্মকর্তারা বৈঠকে বসেন। দুপক্ষই একের পর এক স্বপক্ষে যুক্তি দেয়। শেষ পর্যন্ত স্বীকৃতি পেল পশ্চিমবঙ্গ।

এমআর/এমএসআই

print
 

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad