মঙ্গল গ্রহে প্রাণের ঘোষণা দিতে যাচ্ছে নাসা

ঢাকা, শনিবার, ২৩ জুন ২০১৮ | ৯ আষাঢ় ১৪২৫

মঙ্গল গ্রহে প্রাণের ঘোষণা দিতে যাচ্ছে নাসা

পরিবর্তন ডেস্ক ৬:২৩ অপরাহ্ণ, জুন ০৯, ২০১৮

print
মঙ্গল গ্রহে প্রাণের ঘোষণা দিতে যাচ্ছে নাসা

পৃথিবীর প্রতিবেশী গ্রহ মঙ্গলে প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে ক্রমেই আশা জোরদার হচ্ছে। বিশ্বের শক্তিমান দেশগুলোর মহাকাশ গবেষণা সংস্থার বিজ্ঞানীরা মুখে না বললেও মঙ্গল নিয়ে তাদের গবেষণার মাত্রা লক্ষণীয়। মঙ্গল গ্রহে বসতি স্থাপন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশই শুধু নয়, ভারত এমনকি সৌদি আরবও নানা প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

এমন জল্পনার মাঝে প্রায়ই এলিয়েন বিশ্বাসীরা নাসার রোবট যান কিউরিসি’র পাঠানো বিভিন্ন ছবি নিয়ে নানা দাবি তোলেন। তবে খোদ নাসাই এবার সম্ভবত মঙ্গলে প্রাণ থাকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানাতে চলেছে!

ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ এবং স্পেস ডট কম সম্প্রতি জানিয়েছে, মঙ্গল পৃষ্ঠে কিউরিসিটি রোভার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ পেয়েছে। যা নিয়ে নাসার বিজ্ঞানীরা গবেষণার পর মুখ খোলা জরুরী বলে মনে করছেন। 

নাসার মঙ্গলযান গ্রহটিতে ৩শ’ কোটি বছরের পুরনো একটি পাললিক শিলায় প্রাণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সেই পাললিক শিলায় অর্গানিক মলিকিউলস (Organic Molecules)র সন্ধান মিলেছে।

এটি এমন এক জৈব অণু যেটিতে কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেনসহ প্রাণের অস্তিত্বের স্বপক্ষে আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বহন করে। এই অর্গ্যানিক মলিকিউলসের প্রমাণ দেখে বিজ্ঞানীরা মিলিয়ে নিতে চাচ্ছেন, কোটি কোটি বছর আগে মঙ্গল গ্রহে আসলেই  প্রাণ ছিল কিনা।

বর্তমানে মঙ্গল গ্রহের পরিবেশ প্রাণের উপযোগী না হলেও ভবিষ্যতে তা করা যাবে কিনা সে ব্যাপারেও আগ্রহী পৃথিবীর বিজ্ঞানীরা। মঙ্গলে বাসযোগ্য কলোনি তৈরি করাসহ সেখানে থাকার উপযোগী করে গড়ে তুলতে বর্তমানে মানুষের উপর নানা গবেষণা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

সেখানেই শেষ নয়, মঙ্গল পৃষ্ঠকে সবুজে পরিণত করতে মহাকাশে উদ্ভিদ বিকাশের গবেষণাও চলছে জোর কদমে। মঙ্গলের কঠিন আবহাওয়ায় কিছু উদ্ভিদ নিজেদের টিকিয়ে রাখতে সক্ষম বলেও বিজ্ঞানীরা এখন মনে করেন।

উল্লেখ্য, এর আগে মঙ্গল গ্রহের বিশাল গহ্বর ক্রেটার’এ একসময় পানি ছিল বলে জানতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, সম্প্রতি সেখানে পাললিক শিলার যে খোঁজ তারা পেয়েছেন তা প্রাণের অস্তিত্বের প্রমাণ বলেই ধরে নেয়া যায়। তবে তাদের ধারণা শতভাগ সঠিক কিনা তা জানতে আরও গবেষণার প্রয়োজন হবে।

কেবিএ

 
.




আলোচিত সংবাদ